দেশের খবর - ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১৯

মানিকগঞ্জে ধর্ষণের অভিযোগে দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার

ধর্ষণের অভিযোগে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া থানার দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে সাময়িক প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে এক তরুণীকে সাটুরিয়া ডাকবাংলোয় আটকে রেখে ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযুক্ত দুই পুলিশ কর্মকর্তা হচ্ছেন– সাটুরিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেকেন্দার হোসেন ও সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মাজহারুল ইসলাম।

ধর্ষণের সময় ইয়াবা সেবনেও বাধ্য করা হয়েছে বলে পুলিশ সুপারের কাছে ওই তরুণী লিখিত অভিযোগ করেছেন।

ভুক্তভোগী তরুণী পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগে জানান, তার এক খালা সাটুরিয়া থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেকেন্দার হোসেনের কাছে প্রায় তিন লাখ টাকা পান। ওই টাকা আনতে গত বুধবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৫টার দিকে খালার সঙ্গে সাটুরিয়া থানায় যান তিনি। সেখানে পুলিশ কর্মকর্তা সেকেন্দারের সঙ্গে দেখা হলে তিনি তাদের দুজনকে নিয়ে সাটুরিয়া ডাকবাংলোতে যান। কিছুক্ষণ পরে সেখানে উপস্থিত হন একই থানার আরেক এএসআই মাজহারুল ইসলাম।

অভিযোগে বলা হয়েছে, দুজনে মিলে অভিযুক্ত তরুণী ও তার খালাকে আলাদা ঘরে আটকে রাখেন। একপর্যায়ে ওই তরুণীকে অস্ত্রের মুখে ইয়াবা সেবনে বাধ্য করা হয়। পরে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত আটকে রেখে দুজনকে ডাকবাংলো থেকে বের করে দেওয়া হয়।

রবিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ওই তরুণী মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তাকে থানা থেকে  প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করার নির্দেশ দেন পুলিশ সুপার। তবে অভিযুক্ত এসআই সেকেন্দার হোসেন তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেন। 

মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামিম বলেন,  ‘রাতেই মৌখিকভাবে অভিযুক্ত দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে সাটুরিয়া থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। দোষী প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


আরও পড়ুন

1 Comment

Comments are closed.