দেশের খবর - ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১৯

২ সপ্তাহ ধরে বন্ধ সোনাহাট বন্দরের কার্যক্রম, বেকার হয়ে পড়েছে ২হাজার শ্রমিক

কুড়িগ্রামের সোনাহাট স্থলবন্দরের ভারতীয় অংশে অভ্যন্তরীণ জটিলতা ও ওভারলোডিংয়ে বাধার জেরে দুই সপ্তাহ ধরে বন্ধ রয়েছে বন্দরের কার্যক্রম। এলসি করার পরও ভারত থেকে পণ্য না আসায় ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন ব্যবসায়ীসহ বন্দরের শ্রমিকরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ভারতীয় অংশের ব্যবসায়ীরা সরকারি ঘোষণার চেয়ে অতিরিক্ত পাথর ও কয়লা ট্রাকে লোড করে বাংলাদেশে পাঠানোর কারণে সেদেশের কয়েকটি ব্রিজ ও রাস্তার ক্ষতি হয়েছে। সেজন্য ওভারলোডিংয়ে আপত্তি জানায় দেশটির গণপূর্ত বিভাগ। আর ওভারলোডেড ট্রাক চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গত ২৮ জানুয়ারি থেকে বন্ধ রয়েছে কয়লা ও পাথর আমদানিও। এমতাবস্থায় এলসি করার পরও ভারত থেকে কোনো পণ্য না আসায় ব্যবসায়ীরা যেমন অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন, তেমনি রাজস্ব হারাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। বেকার হয়ে কষ্টে দিনাতিপাত করছেন বন্দরের প্রায় দুই হাজার শ্রমিক।

এ ব্যাপারে সোনাহাট স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. হামিদুল ইসলাম বলেন, সোনাহাট বন্দর চালু হওয়ার পর এই অ লের প্রায় দুই হাজার অভাবগ্রস্থ মানুষ বন্দরটিতে লোড-আনলোডসহ বিভিন্ন ধরনের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। প্রায়ই এই বন্দরে পণ্য না আসায় বন্দরের কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দেয়। এর ফলে এখানকার শ্রমিকরা পেশা পরিবর্তনের কথা ভাবছেন।

বন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক জানান, বন্দরটি চালু হওয়ার পর অনেক আশা নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছি। এর মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকেও ব্যবসায়ীরা আসা শুরু করেছেন। কিন্তু ভারতীয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঠিক নজরদারির অভাবে এলসি করেও কয়লা ও পাথরের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের।

ভূরুঙ্গামারী উপজেলার সোনাহাট স্থলবন্দরের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মাসুদ হাসান জানান, ভারতের অভ্যন্তরীণ জটিলতার কারণেই স্থলবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বিষয়টি নিয়ে সমঝোতার চেষ্টা করছেন।


আরও পড়ুন

1 Comment

Comments are closed.