যানজট নিরসনে ‘ইজিবাইক শহর সার্ভিস’

কিশোরগঞ্জ শহরকে যানজটমুক্ত করতে ‘ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক শহর সার্ভিস’ উদ্বোধন করা হয়েছে। প্রশাসনের উদ্যোগে ও পৌরসভার সহায়তায় গতকাল এই সার্ভিসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার মোর্শেদ চৌধুরী।

এ সময় বিশেষ অতিথি ছিলেন কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মাশরুকুর রহমান খালেদ, পৌর মেয়র মাহমুদ পারভেজ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাবিবুর রহমান। এ ছাড়াও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুবকর ছিদ্দিক, কিশোরগঞ্জ পৌর অটোরিকশা মালিক সমিতির সভাপতি কামাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক দ্বীন মোহাম্মদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সার্ভিসের আওতায় শহরে পৌরসভা থেকে লাইসেন্স পাওয়া ৬০০ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ছাড়া আর কোন অটোরিকশা চলাচল করতে পারবে না। মঙ্গলবার (৫ মার্চ) থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।

ফলে ৫ই মার্চ থেকে কিশোরগঞ্জ শহরে সামনের অংশে হলুদ রঙ করা এবং পৌরসভার লাইসেন্সের স্টিকারযুক্ত ছয়শত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল করবে। এসব অটোরিকশাকে ১০টি প্রবেশপথ নির্দিষ্ট করে দিয়ে চলাচলের এলাকা চিহ্নিত করে দেয়া হয়েছে। যাত্রী নিয়ে তারা কোন অবস্থাতেই চিহ্নিত এলাকা অতিক্রম করতে পারবে না।

এ বিষয়ে পৌরসভার মেয়র মাহমুদ পারভেজ মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠকে জানান, শহরকে যানজটমুক্ত করতে এখন থেকে শহরে অটোরিকশা চলাচলের জন্য কয়েকটি এলাকা নির্ধারিত করে দেওয়া হয়েছে। এলাকাগুলো হলো শহরের গাইটাল বাসস্ট্যান্ড, গাইটাল শ্রীনগর, কলাপাড়া মোড়, ঈশা খাঁ ইউনিভার্সিটি, ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠ–সংলগ্ন সেতু, মনিপুরী ঘাট, বত্রিশ বাসস্ট্যান্ড, নগুয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকা, ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদ সেতু এবং শহরের হারুয়া মোড়কে প্রবেশপথ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তিনি বলেন, পৌরসভার কোনো অটোরিকশা এসব চিহ্নিত এলাকার বাইরে যেতে পারবে না এবং বাইরের কোনো অটোরিকশা এসব এলাকা অতিক্রম করে ভেতরে আসতে পারবে না।


আরও পড়ুন