দেশের খবর - মার্চ ২৫, ২০১৯

জলঢাকায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এ্যাম্বুলেন্স চলা নিষেধ!

নীলফামারীর জলঢাকায় সোমবার হতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রোগী বহনকারী দু’টি সচল এ্যাম্বুলেন্স চলাচল করার জন্য নিষেধ করেছেন স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কতৃপক্ষ। ফলে জরুরী সেবা নিতে আসা রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিতে দুর্ভোগের স্বীকার হচ্ছে।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে রোগী পরিবহনের জন্য তিনটি এ্যাম্বুলেন্স আছে। ইতিমধ্যে একটি অচল হলেও দু’টি সচল আছে। এসব অকটেন চালিত। জুন/১৮ হতে মার্চ/১৯ পর্যন্ত সাত লাখ ছয় হাজার ৭৭৫ টাকার অকটেন স্থানীয় ফিলিং স্টেশন থেকে সরবরাহ করা হয়। যা নভেম্বর/১৮ মাসে দুই লাখ ৮০ হাজার ও মার্চ/১৯ মাসে এক লাখ ৪০ হাজার টাকা। সর্বমোট চার লাখ ২০ হাজার টাকা পরিশোধ করা হয়। বর্তমানে মবিলসহ অন্যান্য খরচ পাঁচ লাখ ১৭ হাজার ৪৫০ টাকা বাকী আছে ফিলিং স্টেশনটিতে। এতো টাকা বাকী পরিশোধ না করলে ওই ফিলিং স্টেশন মালিক স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কতৃপক্ষকে জানিয়ে দেন আর বাকী দেওয়া যাবেনা। তাই, ইউএইচএন্ডএফপিও স্যারের নির্দেশ এম্বুলেন্স চালানো যাবেনা।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার রজব আলী বলেন, এখান থেকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে যাতায়াতে এক হাজার ৩৫০ টাকার অকটেন লাগে। আমরা ভাড়া বাবদ নয়’শ টাকা নিয়ে থাকি। বাকী টাকা সরকার ভুর্তকী হিসাবে দিয়ে থাকে। আমাদের এ্যাম্বুলেন্স বন্ধ থাকায় রোগীরা নানান দুর্ভোগ-বিড়ম্বনার স্বীকার হচ্ছে।

আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মাহাফুজুর রহমান সেনিন বলেন, এখানে হতে মাসে বিভিন্ন রোগে আগত কমপক্ষে ৮৫জন জরুরী রোগী উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করতে হয়। এরা কম খরচে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এ্যাম্বুলেন্সেই যায়।

এ বিষয়ে সোমবার উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পণা কর্মকর্তা ডা. জেড এ সিদ্দিকী বলেন, বরাদ্দ আসলে ও পেট্রোল পাম্পের অকটেনের বাকী টাকা পরিশোধ হলে আবারো এ্যাম্বুলেন্স চলবে।


আরও পড়ুন