মুক্তিযোদ্ধার কথা - এপ্রিল ১, ২০১৯

মুক্তিযুদ্ধের ৭ বীরশ্রেষ্ঠ

মুক্তিযুদ্ধ আমাদের অহংকার। মুক্তিযোদ্ধারা এ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব প্রদর্শন করার জন্য ৭ জন মহান যোদ্ধা পেয়েছেন বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব।  ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী ৭ বীর সেনা।

বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান : বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে চরম সাহসিকতা আর বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ যে সাতজন বীরকে সর্বোচ্চ বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবে ভূষিত করা হয় ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান তাদের অন্যতম।

বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন : তিনি ১৯৩৫ সালে নোয়াখালী জেলার বাঘচাপড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের পাক সেনাদের সঙ্গে তুমুল লড়াই করে নিহত হন।

বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ : মুন্সি আব্দুর রউফ ১৯৪৩ সালের মে মাসে ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার সালামতপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭১ এর ২৫ মার্চ স্বাধীনতা যুদ্ধের শুরুতে চট্টগ্রামে ১১ নম্বর উইং এ কর্মরত ছিলেন।

বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর : মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর ১৯৪৮ সালে বাবুগঞ্জ থানার রহিমগঞ্জ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম আবদুল মোতালেব হাওলাদার।

বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ : তিনি ১৯৩৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি নড়াইল জেলার মহিষখোলা গ্রামের এক দরিদ্র পরিবারে নূর  মোহাম্মদ শেখ জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা  মোহাম্মদ আমানত শেখ, মায়ের নাম জেন্নাতুন্নেসা।

বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ মোস্তাফা কামাল : তিনি ১৯৪৭ সালের ১৬ ডিসেম্বর ভোলা জেলার দৌলতখান থানার পশ্চিম হাজীপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা হাবিবুর রহমান সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত হাবিলদার ছিলেন।

বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোহাম্মদ হামিদুর রহমান : মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তাকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। মাত্র ১৮ বছর বয়সে শহীদ হয়েছেন।


আরও পড়ুন