কুলিয়ারচর - এপ্রিল ১৫, ২০১৯

কুলিয়ারচরের ভৌতিক বিদ্যুৎ বিলে ভোগান্তির শিকার গ্রাহকরা

“দায় সাড়া বক্তব্য দিয়েই খালাস কতৃপক্ষ”

আমার একটাই কষ্ট। আমরা গরীব মানুষ। অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল দিতে গিয়ে আমাদের অনেক কষ্ট হয়েছে। এখনো বিদ্যুৎ অফিসের কাছে আমাদের অনেক টাকা পাওনা আছে। কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার উছমানপুর গ্রামের পিডিবি’র গ্রাহক ডালিমের স্ত্রী রেজিনা আক্তার (৩৫) আক্ষেপ ও দুঃখ প্রকাশ করে এ প্রতিনিধির নিকট এসব কথা বলেন।

সরেজমিনে সোমবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে ওই গ্রাহকের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, পিডিবি’র বৈদ্যুতিক মিটার রিডিংয়ে ৩০১৫ ইউনিট ব্যবহৃত হয়েছে। অথচ কতৃপক্ষ গত ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিলে ৩৫০০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যাবহার উল্ল্যেখ করে মোট বিল করে ৩ হাজার ৪৮৩ টাকা । ওই গ্রাহক গত ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসের ১৭ তারিখ ২ হাজার টাকা জমা করলেও এ বছরের ১২ মার্চ পর্যন্ত ৩৬০০ ইউনিট উল্ল্যেখ করে মোট বিল করেছে ২০৫২ টাকা। এ তথ্য অনুযায়ী ওই গ্রাহকের নিকট থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৬০০ ইউনিট বিদ্যুৎ বিল অতিরিক্ত নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, এ উপজেলায় পিডিবি’র ভৌতিক বিদ্যুৎ বিলে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে গ্রাহকরা।

এ ব্যাপারে সোমবার কুলিয়ারচর আবাসিক প্রকৌশলী মোঃ ইস্রাফিল এর সাথে যোগাযোগ করা হলে ১১ হাজার গ্রাহকের মধ্যে ৫-৬ শত গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিলে এমন ভুল হয়েছে স্বীকার করে তিনি বলেন, কর্মীরা গ্রাহকদের বাড়ি চিনতে ২-৩ মাস সময় লেগে যাওয়ায় মিটার না দেখেই আনুমানিক বিল করায় এমন হয়েছে। বর্তমানে ওই বিল গুলো সমন্বয় করে বিদ্যুৎ বিল তৈরি করা হচ্ছে।


আরও পড়ুন