নুসরাত’সহ সকল খুন-ধর্ষণের প্রতিবাদে ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

আজ ১৭ এপ্রিল ২০১৯ইং, রোজ বুধবার সকাল ১০.৩০ ঘটিকায় জাতীয় প্রেস ক্লাব এর সামনে ফেনীর সোনাগাজীর নুসরাত জাহান রাফিসহ সারাদেশে সকল খুন ও ধর্ষণের প্রতিবাদে এবং ফাঁসির দাবিতে ডিজিটাল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন, সাকসেস হিউম্যান রাইটস সোসাইটি, বিশ্ব প্রবাসী কল্যাণ পরিষদ, বাংলাদেশ পুরুষ অধিকার ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে এক মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ পুরুষ অধিকার ফাউন্ডেশনের সম্মানিত উপদেষ্টা এড. কাউছার হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান জে. এইচ. খান শাহিন, সাকসেস হিউম্যান রাইটস সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মোঃ সোবাহান বেপারী, ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ লিটন খান, নায়রায়নগঞ্জ জেলার সভাপতি মীর আনোয়ার হোসেন, সাংবাদিক মোক্তার হোসেন, ডিজিটাল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মোঃ আতিকুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব নজরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জুম্মান, বিশ্ব প্রবাসী কল্যাণ পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা লিটন গাজী, বাংলাদেশ তথ্য ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের মহাসচিব মোঃ রাশেদুজ্জামান। উক্ত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন, বাংলাদেশ পুরুষ অধিকার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ খায়রুল আলম।

বক্তারা বলেন, ফেনীর সোনাগাজীর আগুনে পুড়িয়ে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে হত্যার ঘটনায় সঠিক তদন্তের মাধ্যমে বিচারের আওতায় আনা হোক। নুসরাত জাহানের অগ্নিদগ্ধ মৃত্যুতে আমরা গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছি। এই ঘটনার সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যারা জড়িত আছে তাদের আইনের আওতায় এনে দ্রুত বিচারের ব্যবস্থা করা হোক। ইতিমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নুসরাতের বিষয়ে আইনগত যে ব্যবস্থা নিয়েছেন এবং তার পরিবারের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন সে জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এবং সারাদেশের প্রতিটি ধর্ষণ এবং হত্যাকান্ডের বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি। যাদের অবহেলার কারনে এই হত্যাকান্ড হয়েছে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। ১২ এপ্রিল দুপুরে নুসরাত জাহান রািফ হত্যার ঘটনাস্থল সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা পরিদর্শন করেছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের পরিচালক (অভিযোগ ও তদন্ত) আল মাহমুদ ফয়জুল কবির। তিনি ঘটনাস্থলের বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে কথা বলে স্বাক্ষ্য নেন। পরে সাংবাদিকদের বলেন ২৭ মার্চের ঘটনাটির জন্য মাদ্রাসা প্রশাসন ও স্থানীয় প্রশাসন সতর্ক হলে ৬ এপ্রিলের এ ঘটনা ঘটতো না। ভবিষ্যতে যাতে নুসরাতের মতো এই ধরনের ঘটনা না ঘটে সে জন্য সরকার ও প্রশাসনকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।