তাড়াইল - এপ্রিল ২৫, ২০১৯ ১১:১৩ পূর্বাহ্ণ

মন্দির ভিত্তক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমে তাড়াইলের মিতু দাস শ্রেষ্ঠ শিক্ষিক

কিশোরগঞ্জের তাড়াইলের মিতু দাস মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের পঞ্চম পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষিক নির্বাচিত হয়েছেন।

জানা যায়, মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের ৫ম পর্যায়ের ২০১৮ সালের জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়। সম্প্রতি কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এক অনারম্ভড় পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসকের হাত থেকে শ্রেষ্ঠ শিক্ষিক হিসেবে পুরষ্কার গ্রহণ করেন মিতু দাস।

উপজেলার দিগদাইড় ইউনিয়নের বরুহা গ্রামের অলক বর্মনের সহধর্মিণী দুই সন্তানের জননী মিতু দাস নিজ গ্রামের বরুহা শ্রীশ্রী পঞ্চত্বত্ত মন্দিরে মন্দিরভিত্তিক শিশু শিক্ষার্থীদের পাঠদান করে আসছেন।

মিতু দাস জানান, শিশুদের মাঝে নিজেকে বিলিয়ে দিতে আমার খুব ভালো লাগে।মন্দিরে ৩৫ জন শিক্ষার্থীকে আমার নিজের সন্তানের মতোই পাঠদান করে আসছি।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট পরিচালিত এই কার্যক্রমের ৫ম পর্যায়ে কিশোরগঞ্জ জেলার ১৩ টি উপজেলার ৯১ জন শিক্ষকের মধ্যে ৫ জনকে শ্রেষ্ঠ হিসেবে বিবেচিত হয়।এর মধ্যে তাড়াইলের মিতু দাস একজন।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো.সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,জেলা পুলিশ সুপার মাশরুকুর রহমান খালেদ বিপিএম(বার),হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি এডভোকেট ভূপেন্দ্র ভৌমিক দোলন,রিপন রায় লিপু।অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক  (সার্বিক) উপসচিব তরফদার আক্তার জামীল প্রমূখ।

এলাকার  শ্রীশ্রী পঞ্চত্বত্ত মন্দির কমিটির সভাপতি উপেন্দ্র বর্মন জানান, মিতু দাস আমাদের গর্ব। মিতু দাসের একাগ্রচিত্বে পাঠদানের ফলে আজ শ্রেষ্ঠ শিক্ষিকা নির্বাচিত হওয়ায় আমরা খুব খুশি। সেই সাথে আমাদের মন্দিরের সুনামও এর সাথে জড়িত।