টটেনহামের মাঠে জিতলো আয়াক্স

রিয়াল মাদ্রিদ আর জুভেন্টাসের পর কি টটেনহাম হটস্পার! ইউরোপ ও ইতালির চ্যাম্পিয়নদের বধের পর এবার ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ক্লাবকেও বিদায় করার পথে আয়াক্স। মঙ্গলবার চ্যাম্পিয়নস লিগ সেমিফাইনালের প্রথম লেগে স্পারদের ১-০ গোলে হারিয়ে টানা ৯ ম্যাচ অজেয় থাকলো ডাচ ক্লাব।

চ্যাম্পিয়নস লিগে শেষ তিনটি অ্যাওয়ে ম্যাচই জিতলো আয়াক্স। ১৯৯৭ সালের পর প্রথম সেমিফাইনালে উঠেও দারুণ ছন্দে তারা। তাতে নতুন স্টেডিয়ামে সব ধরনের প্রতিযোগিতায় টানা দ্বিতীয় ম্যাচ হেরেছে টটেনহাম। প্রিমিয়ার লিগে আগের ম্যাচে ওয়েস্ট হ্যাম তাদের মাঠে জিতেছিল।

৩৭ বছর পর প্রথম দেখা হয়েছিল দুই দলের। ১৯৮২ সালে কাপ উইনার্সে দুটি লেগ জিতেছিল ইংলিশ ক্লাবটি। কিন্তু এবার আর জয়ের দেখা পেলো না তারা। প্রথম শট নিতে স্বাগতিকদের সময় লেগেছে ২৬ মিনিট। তার আগেই পিছিয়ে পড়ে তারা।

১৫ মিনিটে জিয়েখের বাড়ানো বল পায়ে পান ডনি ফন ডি বিক। তার সামনে ছিলেন শুধু গোলরক্ষক। ঠাণ্ডা মাথায় উগো লরিসের পাশ দিয়ে জালে বল পাঠান আয়াক্সের এই খেলোয়াড়। চ্যাম্পিয়নস লিগ সেমিফাইনালে ডাচ ক্লাবটির পক্ষে তৃতীয় সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতার মর্যাদা পান ২২ বছর ১২ দিন বয়সী ফন ডি বিক।

তিনি ২৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণের সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু এবার লরিস দুর্দান্ত সেভে তাকে ব্যর্থ করেন।

প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ের চতুর্থ মিনিটে চমৎকার সুযোগ তৈরি করে টটেনহাম। অ্যাল্ডারওয়াইল্ডের হেড লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। বিরতির পর ফিরে এসেই গোল শোধের সুযোগ পায় স্বাগতিকরা। কিন্তু ডেলে আলীর শট প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডার ব্লক করেন।

টটেনহাম দুই গোলে ম্যাচ হারতে পারতো। ভাগ্য ভালো যে ৭৮ মিনিটে গোলমুখে নেওয়া নেরেসের শট গোলপোস্টে আঘাত করে।

মাত্র এক গোলে পিছিয়ে থাকায় কিছুটা স্বস্তিতে টটেনহাম। ফাইনালে যাওয়ার লড়াইয়ে ঘুরে দাঁড়াতে আগামী বুধবার আয়াক্সের মাঠে নামবে তারা। গোল ডটকম