দেশের খবর - মে ৪, ২০১৯

মীরসরাইয়ে ‘ফনী’র আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলের নাগরিকগণ

বৈশাখ মাসব্যাপী বাংলাদেশে কালবৈশাখী সহ নানা রকম ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের কবলে পড়ে সাগরতীরবর্তী উপকূলবাসী।গত দুইদিন বাংলাদেশের উপকূল ব্যাপী ছিল আবহাওয়ার বিপদ সংকেত।তারই ধারবাহিকতায় আজ সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ বাংলাদেশের উপকূলে হানা দেয় ঘূর্ণিঝড় ফণী।

ধেয়ে আসা ‘ফণী’ মীরসরাই উপজেলার উপকূলতীরবর্তী বেশ কিছু ইউনিয়নে  লন্ডবন্ড করে দেয়।অবশ্য “ফণী’ মোকাবেলায় মীরসরাই উপজেলা প্রশাসন ও সিপিপি কর্তৃক অগ্রীম প্রস্তুতি ছিল লক্ষণীয়।এছাড়া উপকূলের জনগণকে জান মাল নিরাপওার ঝুঁকি মোকাবেলায় মাইকিং করা ও সর্তক সংকেত পতাকা ওড়াতে দেখা যায়।

ঘূর্ণিঝড় “ফণী’ মীরসরাই উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নের বেশ কিছু এলাকায় গাছপালা উপড়ে পেলে।এছাড়াও কিছু কিছু নাগরিকগনের টিনের ঘর ও ঘরের চালা প্রবল বাতাসে উড়িয়ে নিয়ে যায়।ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বেশীর ভাগই সাধারণ পেশার ও নিরীহ নাগরিক বলে জানা যায়।এদের গাছপালা ক্ষতিগ্রস্তের ক্ষতিপূরণ না পেলে ও বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ক্ষতিপূরণ পাওয়ার দাবীদার বলে জানিয়ে অএ উপজেলার একাধিক নাগরিক মন্তব্য করেন।অএ উপজেলায় ঘূর্ণিঝড় ফণী তে ক্ষতিগ্রস্ত ইউপিগুলো হলো সাহেরখালী, ইছাখালী, জোরারগঞ্জ ও করেরহাট।

সরেজমিনে দেখা যায়  ইছাখালী ইউনিয়নের চুনিমিঝিরটেক গ্রামের আরিফ হোসেন, নাছির, মুমিন, ইউছুপ এর ঘর বেশী ক্ষতিগ্রস্ত।এছাড়াও আরও বেশকিছু লোকের ঘর ও গাছপালার ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেখা যায়।

এসময় চুনিমিঝিরটেক গ্রামের পুরুষ জনপ্রতিনিধি  রফিকুজ্জামান ও মহিলা জনপ্রতিনিধি জোহরা মেম্বারকে নাগরিকদের ক্ষয়ক্ষতির খোঁজ খবর জানতে বাড়ী বাড়ী যেতে দেখা যায়।উপকূলের নাগরিকদের জীবন মান উন্নয়নে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বিগত বছরগুলোতে দেখা যায় অতীতের তুলনায় ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি পরিমান এখন অনেকাংশে কমে গেছে।এজন্য সরকারের পূর্ব পরিকল্পনাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন উপকূলের সাধারণ নাগরিকগন।

এছাড়া মীরসরাই উপজেলার উপকূলবাসীকে নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে নিতে সরেজমিনে পরিদর্শন ও আশ্রয়কেন্দ্রে আগত জনগণের অবস্থার খোঁজ খবরসহ প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করেন মীরসরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মোহাম্মদ রুহুল আমিন।


আরও পড়ুন