খেলার খবর - মে ৮, ২০১৯

পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের সিরিজ জয়

পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৬ দলের বিপক্ষে তিন দিনের ম্যাচের সিরিজটি জিতে নিয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৬ ক্রিকেট দল।

খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ তিন দিনের ম্যাচটি ড্র হলে ১-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নেয় বাংলাদেশ। এর আগে ফতুল্লায় প্রথম তিন দিনের ম্যাচটি ৫ উইকেটে জিতেছিল স্বাগতিকরা।

বুধবার তৃতীয় দিনের তৃতীয় সেশনে ২৫৬ রানের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামে সফরকারীরা। তবে দিনের বাকিটা সময়ে তারা ২৫ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১০৩ রান করার পর ড্র মেনে নেন উভয় দলের অধিনায়ক।

এর আগে দ্বিতীয় ইনিংসে ৮ উইকেটে ১৮৩ রানে ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। ফলে ২৫৬ রানের লক্ষ্য পায় সফরকারীরা।

মঙ্গলবার ম্যাচের দ্বিতীয় দিনে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ২ উইকেটে ২৯ রানে দিন শেষ করেছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে বুধবার ৬ উইকেট হারিয়ে আরো ১২৯ রান যোগ করে ইনিংস ঘোষণা করে স্বাগতিকরা।

এদিন দারুণ ব্যাটিং করেন মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান আইচ মোল্লা। খুলনায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁইছুঁই তাপমাত্রায় দারুণ ব্যাটিংয়ে সেঞ্চুরির দিকেই ছুটছিলেন তিনি। তবে পাকিস্তানি অধিনায়ক ওমর ইনামের বলে বড় শর্ট খেলতে গিয়ে রিজওয়ান মাহমুদের হাতে ধরা পড়েন। এর আগেই অবশ্য তার নামের পাশে ৮৭ রান যোগ হয়ে যায়। তার ১০৯ বলের ইনিংসে ছিল ৯ চার ও ৪ ছক্কা।

মিডল অর্ডারে আইচ মোল্লার সঙ্গে দুটি জুটিতে ভালো সংগ্রহের ভিত পায় স্বাগতিকরা। এর মধ্যে সাকিব শাহরিয়ার ও রাফসান জনির সাথে জুটি বাঁধেন তিনি। তবে বাকি দুজনের কেউই ইনিংস বড় করতে পারেনি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩২ রান আসে সাকিব শাহরিয়ারের ব্যাট থেকে। ৬৪ বলে ৫টি চারের সাহায্যে এই রান করেন তিনি।তবে দারুণ ধৈর্য্যের পরিচয় দেন রাফসান জনি। ১২৫ বলে ৩টি বাউন্ডারির সাহায্যে করেন ২৮ রান।

শেষ পর্যন্ত তৃতীয় দিন তৃতীয় সেশনের শুরুতে ইনিংস ঘোষণা করে স্বাগতিকরা। মূলত আইচ মোল্লার শতকের জন্যই অপেক্ষা করছিল স্বাগতিক দল। আইচ মোল্লা আউট হওয়ার পরপরই তাই ইনিংস ঘোষণা করে স্বাগতিকরা। পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৬ দলের হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে আসির মুঘল ও অধিনায়ক ওমর ইমান একটি করে উইকেট নেন।

ম্যাচের ফল তখন অনেকটাই নিশ্চিত। এক সেশনেরও কম সময়ে ২৫৬ রানের লক্ষ্য পায় পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৬ দল। তবে জয়ের আশায় নয়বাকিটা সময় সময় কাটানো ব্যাটিং-ই করেছে সফরকারীরা। তাতে অবশ্য খুব ভালো করেছে তেমনটা বলা যাবে না। সর্বসাকুল্যে ২৫ ওভার ব্যাট করে ১০৩ রান করতে সমর্থ হয় তারা। আর তাতে ৩টি উইকেটও পড়েছে তাদের। দলের হয়ে সামির সাকিব ৩৫মুহাম্মদ শেহজাদ ২৬মুহাম্মদ ওয়াক্কাস ২৮ রান করেন। স্বাগতিকদের হয়ে ২টি উইকেট নেন মাহফুজুর রহমান রাব্বী।

প্রথম ইনিংসে দারুণ ব্যাটিংয়ে সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছিলেন স্বাগতিক অধিনায় রিহাদ খান। ১২০ বলে অপরাজিত ১৩৬ রান করেন। ম্যাচসেরার পুরস্কারটাও তাই জিতে নিয়েছেন তিনি। সিরিজ সেরার পুরস্কারও জিতেছেন স্বাগতিক অধিনায়ক।

দুই দলের মধ্যে তিন ম্যাচের ওয়ানডেসিরিজে শুরু হবে আগামী ১১ মে থেকে। ১১১৩ ও ১৫ মে শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামেই হবে ম্যাচ তিনটি।


আরও পড়ুন