কৃষি - 2 weeks ago

ডোমারে শিলাবৃষ্টির ভয়ে আধাপাকা ধান কাটছে কৃষক

এমনিতেই ধানের দাম নেই,তার উপরে প্রাকৃতিক দুর্যোগ দুই মিলে দেশের উত্তরের জেলা নীলফামারীর ডোমারের কৃষকদের মাঝে মরার উপর খাঁড়ার ঘায়ে পরিনত হয়েছে। এর থেকে পরিত্রানের আশায় কৃষকরা এবার চলতি ইরি মৌসুমে আগাম আধাপাকা ধান কাটতে শুরু করেছে।

গত তিন দিন ধরে বিশেষ করে রাতের বেলা গুড়িগুড়ি বৃষ্টি,ঝড়ও হাওয়া সাথে হালকা শিলাবৃষ্টি এতে করে কৃষকের মনে আতংকের সৃষ্টি হওয়ায় ক্ষেতের আধাপাকা ধানগুলো আগাম কেটে নিচ্ছেন। ক্ষেতের হাইব্রীড জাতীয় ধান কেবলমাত্র পাকতে শুরু করেছে পূর্নাঙ্গভাবে পাকতে আরো কিছু দিনের প্রয়োজন। কিন্তু সময় নেই প্রাকৃতিক দূর্যোগের ভয়ে ক্ষেতের আধাপাকা ধান সংগ্রহ করছে কৃষক। ধান কাটার মূহুর্তে ধানক্ষেতে বোড়াগাড়ীর ইউনিয়নের কৃষক রবীন্দ্রনাথ,সবুজ,ইদ্রিস আলী, নয়ানী গ্রামের পরেশ,মাছু, কেতকী বাড়ী ইউনিয়নের কৃষক দিনবন্ধু,সুবাশ, জোড়াবাড়ী ইউনিয়নের কৃষক পূর্ন,হরিহর জানায়, গত বছর ইরি মৌসুমে শিলাবৃষ্টির কারনে ধান ক্ষেতেই সম্পূর্নরুপে নষ্ট হয়েছে। ধানতো দূরের কথা শিলা বৃষ্টির কারণে খড়টুকুও সংগ্রহ করতে পারিনি। ফলে মানুষের পাশাপাশি গো-খাদ্যের চরম অভাব দেখা দেয়। এবারও প্রাকৃতিক অবস্থা ভালো নয় তাই আধাপাকা ধান কেটে নিচ্ছি এতে করে ক্ষতি হলেও কিছু ধান ঘড়ে তুলতে পারবো। বড় ধরনের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেতে আধাপাকা ধান ক্ষেত থেকে সংগ্রহ করছি। তারা আরো বলেন, এমনিতেই ধানের দাম নেই এর উপর প্রাকৃতিক দুর্যোগ। গতবারের ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারি নাই এবারেও যদি ধান পাওয়া না যায় তাহলে আমাদেরকে চরম ক্ষতির সম্মুখিন হতে হবে। তাই যতটুকু ধান পাওয়া যায় তাই ভালো। সেই সাথে খড়গুলো গো-খাদ্যের জন্য জন্য সংগ্রহে রাখা যাবে।

এ ব্যাপারে ডোমার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা কামরুজ্জামান বলেন, গত মৌসুমে শিলাবৃষ্টির কারণে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এবারেও আবহাওয়া ভালো না থাকায় ৮০% ধান পাকলেই কৃষকদের ধান সংগ্রহ করার কথা বলা হচ্ছে। তবে ৮০% নিচে কম পাকা ধান কাটলে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্থ হবে ।