দাবি আদায়ে কিশোরগঞ্জে স্বাস্থ্যকর্মীদের সাত দিনের আল্টিমেটাম

পে-স্কেল বহাল, বেতন ও ঈদ বোনাস ব্যবস্থা করা, দুর্নীতির দায়ে চাকরিচ্যুতকে পুনরায় প্রকল্প ব্যবস্থাপক পদে বহাল না করাসহ পাঁচ দফা দাবি আদায়ে কিশোরগঞ্জে আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারী প্রজেক্টের স্বাস্থ্যকর্মীরা সাক্ষরলিপি প্রদান করেছেন। ১৪ মে (মঙ্গলবার) সকালে কিশোরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মাহমুদ পারভেজের নিকট তারা এ সাক্ষরলিপি পেশ করেন।

এ সময় তারা সাত দিনের আল্টিমেটাম ঘোষণা করেন। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এ দাবি আদায় নাহলে আন্দোলনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালনেরও ঘোষণা দেন তারা।

প্রতি ৫ বৎসর পর পর নতুন করে দরপত্রের মাধ্যমে এনজিও নির্বাচন করে প্রকল্পটি পরিচালিত হয়। সারাদেশের বেশকিছু সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভায় এ স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিচালিত হয়ে আসছে। বিগত এক বছর যাবত বেতন ছাড়াই কাজ করছেন এ স্বাস্থ্যকর্মীরা। তাদের অভাব-অভিযোগের শেষ নেই।

আমলাতান্ত্রিক ও প্রক্রিয়াগত কারণে এই বেতন পরিশোধ হচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলেছেন অনেক কর্মী। এ স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বেশ কয়েকজন ডাক্তারের সাথে কথা হলে তারা এ প্রতিবেদককে নাম না প্রকাশ করার শর্তে জানান, বেতন ছাড়া মানবেতর জীবন একটা অসহনীয় ব্যাপার।

এক এক করে আজ প্রায় ১৪ মাস পার হয়ে গেলো বেতনের কোনো হদিস নেই। তারা অভিযোগ করে বলেন, পরিবার-পরিজন নিয়ে কিভাবে বেতন ছাড়া শ্রম দেয়া সম্ভব। যারা প্রকল্প পরিচালনা করেন তারা কি বিষয়টি উপলব্ধি করতে পারেন না, কিভাবে এ প্রকল্পের স্বাস্থ্য কর্মীরা চলছেন তারা কি এ বিষয়ে অবগত নয়? শুধু সামাজিক দায়বদ্ধতা আর মায়ায় আমরা কাজও ছাড়তে পারছি না। সেবা দিয়েই যাচ্ছি বলে জানান এসব স্বাস্থ্যকর্মীরা।