ইটনা - 4 weeks ago

ইটনায় তুচ্ছ বিষয় নিয়ে এসআই ও ইউপি চেয়ারম্যানের হাতাহাতি

কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলা সদরের পুরান বাজার মাছ মহালে ইটনা থানার এসআই রুকন উদ্দিন ও সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম সোহাগের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে চেয়ারম্যান সোহাগ মিয়া জানান, বুধবার দুপুরে সাড়ে ৩টার সময় আমি মাছ মহালে মাছ কিনতে যাই। এ সময় পাশের দোকানের মাছ ব্যবসায়ী তোফাজ্জল মিয়াকে মাছের দর নিয়ে এসআই রুকন উদ্দিন অকথ্য ভাষায় গাল মন্দ করিতে থাকে। আমি এর প্রতিবাদ করিলে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে এসআই রুকন উদ্দিন জনসম্মুখে আমাকে থাপ্পর মারে। আমি নিজেকে সামলাতে না পেরে আমি তাকে থাপ্পর মারি। এসময় মাছ ব্যবসায়ীরা উত্তেজিত হয়ে এসআই রুকন উদ্দিন কে মারধর করে। এর জের ধরে এসআই রুকন ১০-১২ পুলিশ নিয়ে নয়া হাটিতে আমার বসত ঘরে ঢুকে ঘরের যাবতীয় আসবাবপত্র তছনছ করে ফেলে। আমার মা ও স্ত্রী এর প্রতিবাদ করিলে তাদেরকে ও অকথ্য ভাষায় গালমন্দ সহ হুমকি প্রদান করে। এসময় আমি উপজেলা পরিষদের অবস্থান করছিলাম।

এ বিষয়ে ইটনা থানার উপ-পরিদর্শক রুকন উদ্দিনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, বিষয়টি আমি বিভিন্ন মাধ্যমে শুনেছি। তবে কোন পক্ষই আমার কাছে অভিযোগ নিয়ে আসেনি। 

ইটনা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মুর্শেদ জামান বিপিএম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, একটি তুচ্ছ বিষয় নিয়ে আমাদের থানার এসআই রুকন ও সদরের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম সোহাগের সাথে হাতিহাতির ঘটনা ঘটেছে। পরে সোহাগের নির্দেশে তার লোকজন রুকন কে মারধর করেছে। সোহাগের বাড়িতে আসবাবপত্র ভাংচুরের ঘটনা মিথ্যা।


আরও পড়ুন