কিশোরগঞ্জের খবর - জুন ৪, ২০১৯

কিশোরগঞ্জে ‘গণধোলাইয়ের শিকার’ সেই দুই এসআই ক্লোজ

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে সজিব নামে এক শিক্ষার্থীকে মাদক দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগে পুলিশের দুই এসআইকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ জুন) কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মাশরুকুর রহমান খালেদ স্বাক্ষরিত এক আদেশে ওই কর্মকর্তাদের পুলিশ লাইনে সরিয়ে নেওয়া হয়। অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তা হলেন, ভৈরব থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল খায়ের ও আজিজুল হক।

আরো পড়ুন : কিশোরগঞ্জে গণধোলাইয়ের শিকার পুলিশের দুই এসআই

সজিবের পরিবারের সদস্যরা জানায়, মোটরসাইকেল নিয়ে সজিব তার দুই বন্ধুকে নিয়ে সন্ধ্যায় ঈদের নতুন জামা কিনতে বাজারে যায়। পরে তাদের চান্দ ভান্ডারের সামনে আটকে সজিবের গায়ে মদ ছিটিয়ে মাদক ব্যবসায়ী বানানোর চেষ্টা করে পুলিশ। পরে সজিব মোটরসাইকেল নিয়ে তার মহল্লা শহরের পাক্কার মাথা চলে আসে। তাদের পিছু নেয় ভৈরব থানার এসআই আবুল খায়ের ও আজিজুল হক। পরে সজিবকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে যেতে চাইলে, বিষয়টি স্থানীয়দের চোখে পড়ে। এ সময় এসআই আবুল খায়েরের গায়ে পুলিশের পোশাক না থাকার কারণে ছিনতাইকারী ভেবে তাদের গণধোলাই দেয়। খবর পেয়ে ভৈরব থানা থেকে তাঁদের অন্য সহকর্মীরা গিয়ে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। এই ঘটনায় ঘটনাস্থল থেকে ৪ জনসহ রাতেই সজিবের বাবা সাব মিয়াকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। পরদিন তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।

পুলিশ সূত্র জানায়, ঘটনাটি রবিবার মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠে প্রকাশিত হলে পরদিনই অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. মিজানুর রহমানকে প্রধান করে এক সদস্যের তদন্ত টিম গঠন করে পুলিশ সুপার। মিজানুর রহমান গতকাল ঘটনাস্থলে এসে সংশ্লিষ্টদের সাক্ষ্য গ্রহণ করে পুলিশ সুপারের কাছে প্রতিবেদন জমা দেন। পরে ওই প্রতিবেদনের আলোকে দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।


আরও পড়ুন