জাপানে স্কুল ও ডে কেয়ারে হালাল খাবার সরবরাহের উদ্যোগ

জাপানে বিদেশি শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বাড়ছে। স্কুল ও ডে কেয়ার কর্তৃপক্ষকে তাই ভিন্ন ধর্মের শিশুদের খাবারের বিষয়ে আরও বেশি বিচার-বিবেচনা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।  

ভিন্ন ধর্মের শিশুদের দুপুরের খাবারে অনেক স্কুল ও ডে কেয়ার কর্তৃপক্ষ হালাল খাবার সরবরাহ করছে। জাপানে অ্যালার্জি হয় এমন খাবার শিশুদের দেয়া নিষেধ।

কিন্তু ধর্মীয় কারণে খাবারের ওপর বিধি নিষেধের বিষয়ে অভ্যস্ত নয় অনেক স্কুল। বিষয়টির সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর ক্ষেত্রে তাদের ঝামেলায় পড়তে হয়েছে তাদের। এক বাংলাদেশি দম্পতি তাদের ৫ বছরের সন্তানকে ডে কেয়ার থেকে ফেরত নিয়েছেন কারণ দুপুরের খাবারে তাকে শুকরের মাংস দেয়া হতো নুডুলসের সাথে।

সেই ডে কেয়ারের প্রধানের মতো বৈচিত্র্যময় খাবার খাওয়ানো শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। ওই ডে কেয়ারে বাইরে থেকে খাবার আনার অনুমতি নেই। বাবা-মায়ের আপত্তিতে শূকরের মাংস ও নুডলসের পরিবর্তে তাকে কলা ও স্যুপ দেয়া হতো যা তার বয়সের অনুপাতে যথেষ্ঠ ছিল না বলে অভিযোগ করে পরিবার।  

শুধু বাংলাদেশ নয়, অভিবাসন আইন শিথিল করায় জাপানে ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক ও পাকিস্তানের নাগরিকদের সংখ্যা বাড়ছে। খাবার সংক্রান্ত ঝামেলা এড়াতে অনেক জায়গা মাংসের পরিবর্তে শিশুদের মাছ দেয়া হচ্ছে। তাদের খাবারও আলাদা পাত্রে রান্না করা হচ্ছে। কোথাও কোথাও ঝামেলা এড়াতে শিশুদের বাড়ি থেকে খাবার আনার অনুমতিও দেয়া হচ্ছে।  

জাপানের মিয়ে ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক মিউকি ইনারি বলেন, জাপান বহুজাতিক দেশে রুপান্তরিত হচ্ছে তাই তাদের খাবারেও বৈচিত্র্য আনা উচিত। বিদেশী মানুষের সংস্কৃতি না অনুধাবন করতে পারলে তারা এখানে আসবে না। সূত্র: জাপান টাইমস


আরও পড়ুন