সরকার টেকসই উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে : জেলা প্রশাসক

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী বলেছেন, সরকার টেকসই উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ৬৪টি জেলা পর্যায়ে এসডিজি বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে চলছে।

বুধবার (৩ জুলাই) কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গভর্নেন্স ইনোভেশন ইউনিটের সহযোগিতায় কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে কিশোরগঞ্জে স্থানীয় পর্যায়ে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) বাস্তবায়ন বিষয়ে
কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন ১৯৪৭ সালে বৃটিশরা এ দেশ ছেড়ে চলে গেছে। একাত্তরে পাকিস্তানীদেরকেও তাড়িয়ে
দিয়েছি। স্বাধীনতার সাড়ে পাঁচ বছরেই বাঙালি জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানকে হারিয়েছি।
বর্তমানে বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়নে নিবেদিত হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। স্বাধীনতার
৪৮ বছর পর আমরা অনেক এগিয়েছি। ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতে হবে। ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি বাস্তবায়নে আমরা আশাবাদী।

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আব্দুল কাদির মিয়ার সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি
ছিলেন কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মামুন আল মাসুদ খান ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মতিউর রহমান।কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) দুলাল চন্দ্র সূত্রধর।

কর্মশালায় জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সরকার জাতিসংঘ ঘোষিত ২০৩০ এজেন্ডার আলোকে সবার
জন্য স্বাস্থ্যকর জীবন ও কল্যাণ নিশ্চিত করা, সবার জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা, নারীদের সমঅধিকার ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা, সবার জন্য টেকসই পনি ব্যবস্থাপনা, টেকসই ও আধুনিক জ্বালানী নিশ্চিত করা, জলবায়ু পরিবর্তন ও এর বিরূপ প্রভাবের বিরুদ্ধে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা, সব ধরনের ক্ষুধা ও দারিদ্র দূর করাসহ ১৭টি টেকসই লক্ষ্য অর্জনের জন্য এসডিজি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গভর্নেন্স ইনোভেশন ইউনিট (জিআইইউ) নানামুখী কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।

এর ধারাবাহিকতায় ‘টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে জনপ্রশাসনের দক্ষতা বৃদ্ধিকরণ’ প্রকল্পের আওতায়
‘আমার গ্রাম আমার শহর’ আদর্শকে ধারণ করে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, এনজিও কর্মী, সাংবাদিক, নারী উদ্যোক্তা, শিক্ষার্থী ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিগণ অংশ নেন।


আরও পড়ুন