ঈদকে কেন্দ্রকরে যানজট নিরসনে হিমশিম খাচ্ছে কিশোরগঞ্জ ট্রাফিক পুলিশ

কিশোরগঞ্জ জেলা শহরে আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে বেড়েই চলছে বাহির থেকে আসা গরুবাহী গাড়ীসহ ছোট বড় মাঝারি বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের চাপ ফলে সৃষ্টি হচ্ছে শহরে তীব্র যানজট।

যানজট নিরসনে ৫ আগস্ট দুপুরে কিশোরগঞ্জ জেলা ট্রাফিক ইন্সপেক্টর এম এ করিমের কাছে এ ব্যাপারে গৃহীত কোন পদক্ষেপ ও পরিকল্পনার কথা জানতে চাইলে তিনি জানান- যানজট নিরসনে আমাদের ট্রাফিক বিভাগ আন্তরিকতার সহিত নিরলসভাবে সকাল ৬টা হতে রাত ১০টা পর্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছে।

কিন্তু কিশোরগঞ্জ শহরের পরিধি অনুযায়ী আমাদের লোকবল কম থাকায় সবমসময় রাস্তায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে অনেক কষ্ট হয়, এই শহরে সর্বমোট ১৮ টি ট্রাফিক পয়েন্ট রয়েছে তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট রয়েছে ১০ টি সেই তুলনায় আমাদের জনবল রয়েছে ইন্সপেক্টর ১ জন সার্জেন্ট ৫ জন ও কনস্টেবল ২২ জন দুটি শিফটে কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের পক্ষ থেকে জেলা পুলিশ লাইনে ৫০ জন কনস্টেবলের চাহিদা দেওয়া হয়েছে। আশা করি বিগত দিনের মতো এবারের ঈদেও যানজট নিরসনে আমরা জনবলসহ কর্মতৎপরতা বৃদ্ধি করে সকল যানবাহন ও যাত্রীদের নির্বিঘ্নে চলাচল করতে সহায়তা করতে পারবো।

তিনি আরো জানান- আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে দিনের বেলায় জরুরী সেবা ও কোরবানির পশুবাহী গাড়ী ব্যতীত (সকাল ৯টা – রাত ৯টা) কোন ভারী যানবাহন শহরে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। বিশেষ করে ঈদকে সামনে রেখে বাহিরের অনেক মিশুক সহ অন্যান্য ছোট-বড় যানবাহন বেশি ইনকামের আশায় শহরে ঢুকে পড়ায় তীব্র যানজটের আশঙ্কা রয়েছে, এখনই এর একটা ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি হয়ে পরছে।

এজন্য তিনি সকল অটো সিএনজি মিশুক ভারী যানবাহন এর মালিক যাত্রী রাজনৈতিক ও জনপ্রতিনিধিগণের সহযোগীতা কামনা করেন।


আরও পড়ুন