দেশের খবর - আগস্ট ২১, ২০১৯

কিশোরগঞ্জে একইদিনে ৪ খুন, ২ ঘাতক গ্রেফতার

কিশোরগঞ্জে একইদিনে পৃথক ঘটনায় ৪টি খুন সংঘটিত হয়েছে। কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ, পাকুন্দিয়া, মিঠামইন ও সদর উপজেলায় মহিলাসহ ৪জন খুন হয়েছেন।

বুধবার সকালে পাকুন্দিয়ার চরটেকি, মিঠামইনের ঘাগড়া এবং দুপুরে সদর উপজেলার কর্শাকড়িয়াইল ইউনিয়নের দানাপাটুলি ও বিকেলে করিমগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ সুতারপাড়া গ্রামে ৪’টি হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে।

করিমগঞ্জ : পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, পুর্ব শত্রতার জের ধরে বুধবার বিকেলে করিমগঞ্জ উপজেলার সুতারপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ সুতারপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের পুত্র সুনাল মিয়া (৫০)কে একই এলাকার প্রতিপক্ষরা বল্লম দিয়ে আঘাত করলে গুরুতর আহত হয়। এলাকাবাসী সুনালকে হাসপাতালে নিয়ে আসার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ৮জনকে গ্রেফতার করেছে।

কিশোরগঞ্জ সদর : কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার কর্শাকড়িয়াইল ইউনিয়নের দানাপাটুলি গ্রামে দুপুরে পারিবারিক কলহের জের ধরে মেয়ের জামাতার ছুরিকাঘাতে শ^াশুরী হালিমা খাতুন (৪৫) গুরুতর আহত হয়। পরিবারের লোকজন জরুরীভিত্তিতে কিশোরগঞ্জ জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হালিমাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় শাশুড়ির কোলে থাকা হাবিবুল ইসলামের তিন বছর বয়সী শিশু আনন্দ
হোসেনও ছোরার আঘাতে রক্তাক্ত হয়। শিশু আনন্দকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় জনতার সহায়তায় ঘাতক মেয়ের জামাই হাবিবুল ইসলাম (২৫) কে আটক করে পুলিশ। ঘাতক হাবিবুল ইসলাম কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার দানাপাটুলীইউনিয়নের মনোহরপুর গ্রামের মো. মৃত কালাম উদ্দিনের ছেলে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘাতক জামাতাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে।

পাকুন্দিয়া : জমি নিয়ে বিরোধেরে জের ধরে বুধবার সকালে পাকুন্দিয়া উপজেলার চরটেকি গ্রামের মৃত হারুনর রশীদের ছেলে মতি মিয়া তার বড় ভাই মুকুল মিয়াকে (৫৬) ছুরিকাঘাতে করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পুলিশ ঘাতক মতি মিয়াকে আটক করেছে।

মিঠামইন : এদিকে হাওরবেষ্টিত মিঠামইন উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের নয়াহাটি গ্রামে একটি রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষ হলে একই এলাকার ধনু মিয়ার ছেলে শাহজাহান মিয়া (৬০) নামে এক ব্যক্তি ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আরো অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছিলো। সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।


আরও পড়ুন