দেশের খবর - আগস্ট ২২, ২০১৯

আখাউড়া স্থলবন্দরে বাংলাদেশ-ভারতের ফ্লাগ ডাউন দেখতে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভীড়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দরে প্রতিদিন বিকেল ৬ টায় শুরু হয় বাংলাদেশ-ভারতের পতাকা নামানোর মনোমূগ্ধকর এক দৃশ্য, যা দেখার জন্য প্রতিদিন দুদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ছুটে আসেন শত শত দর্শণার্থী, দুদেশের বর্ডার প্রতিরক্ষা বাহিনী বিজিবি ও বিএস এফ প্রতিদিন ঠিক বিকেল ৬ টায় শুরু করেন পতাকা নামানোর অনুষ্ঠান, যা দেখতে ভালই লাগে দুদেশের দর্শণার্থীদের।

বাংলাদেশ-ভারতের এই সুন্দর বন্ধুত্বপূর্ণ ফ্লাগ ডাউন দেখতে আখাউড়া স্থল বন্দরে প্রতিদিন ছুটে আসেন বৃদ্ধ, শিশু, কিশোর-কিশোরী সহ নানা বয়সের মানুষ।

পতাকা নামনোর দৃশ্যটি উপস্থিত সকলের মন কাড়ে, বিশেষ করে পতাকা নামানোর সময় দুদেশের জওয়ানদের কুচকাওয়াজ, বাশিঁ বাজানো, ড্রামের শব্দের তালে তালে তারা করেন বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি, যা দেখে প্রতিদিনই ছুটে আসেন দেশের বিভিন্ন স্থানের মানুষ।

স্থানীয় সিএন্ডএফ এজেন্টর ব্যবসায়ী আব্বাস উদ্দিন ভূইয়া বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিন এখানে শত শত মানুষ ছুটে আসেন এই পতাকা নামানোর মনোমুগ্ধকর দৃশ্যটি দেখতে, সরকারের কাছে তিনি আবেদন করেন এখানে দর্শণার্থীদের যেন ছাউনির ব্যবস্থা করা হয়,রোদ-বৃষ্টি এলেও যেনো সবাই এখানে বসার সুবিধা পায়।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ইদন ভূইয়া বলেন,  স্থলবন্দরের ফ্লাগ ডাউনের দৃশ্যটি খুবই চমৎকার একটি দৃশ্য যা একবার দেখলে বার বার দেখার স্বাদ জাগে, আমি সবাইকে অনুপ্রাণিত করবো যেন এদৃশ্যটি জীবনে একবার হলেও দেখে যান।

আখাউড়া দেবোগ্রাম কমিনিউটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি ডাক্তার সেলিনা আক্তার শিউলী বলেন, এমনিতে বাসা থেকে বের হবার সুযোগ হয়না আজ কে সুযোগ পেতেই স্বামী ও সন্তান কে নিয়ে প্রথমবারের মতো দুদেশের পতাকা নামানো দেখতে এলাম, দেখে খুবই ভালো লাগলো আমি সবাইকে অনুরোধ করবো সুযোগ হলে যেন একবার এই দৃশ্যটি দেখে যায়।

আখাউড়া সদর কোম্পানি কমান্ডার আব্দুল হামিদ বলেন, এই ফ্লাগ ডাউন দেখার জন্য দিন দিন দর্শণার্থীদের হার বেড়েই চলেছে যা আমাদের দেশের জন্য অত্যান্ত গৌরবের বিষয়, যারা এখানে প্রতিদিন ছুটে আসেন তাদেরকে বিজিবির পক্ষ থেকে আন্তরিক  ধন্যবাদ জানায়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, আখাউড়া টেলিভিশন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনে সাংগঠনিক সম্পাদক, বাদল আহাম্মদ খান, মোহনা টিভির আখাউড়া প্রতিনিধিঃ মোশাররফ কবির, জুটন আহাম্মদ খান,ময়নাল হক ভুইয়া, দ্বীন ইসলাম খাঁন প্রমূখ।


আরও পড়ুন