ফরিদপুরে আনসারউল্লাহ বাংলা টিমের ০৪ সদস্যের ১০ বছরের কারাদন্ড

ফরিদপুরে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় আনসারউল্লাহ বাংলা টিমের চার সদস্যকে ১০ বছর সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন ফরিদপুরের বিশেষ জজ আদালত। একই সাথে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেন আদালত।

রায় ঘোষণার সময় ওই চার আসামী আদালতে হাজির ছিলেন। পরে বিশেষ পুলিশি নিরাপত্তার সাথে আসামীদের জেলা কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ফরিদপুরের বিশেষ জজ আদালতের হাকিম মো. মতিয়ার রহমান এ আদেশ দেন।

রায়ের আদেশ থেকে জানাযায়, আদালত ১৯০৮ বিস্ফেরক দ্রব্য আইনের এর ৪ ধারায় অপরাধ সন্দেহাতীত ভাবে প্রমানিত হওযায় আসামি ফরিদ মৃধাকে ১০ বছর সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন। অপর তিন আসামীকে অপরাধ সন্দেহাতীত ভাবে প্রমানিত হওযায় মোঃ শহিদুল ইসলাম, মোঃ মহসিন মোল্লা ও ভাঙ্গা উপজেলার মোঃ নাহিদ মোল্লাকে ১৯০৮ বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের এর ৪/৬ ধারায় ১০ বছর সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন। একই সাথে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেন আদালত।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুর বিশেষ জজ আদালতের পিপি গোলাম রব্বানী ওরফে বাবু মৃধা জানান, ২০১৬ সালের ২৬ আগস্ট ভাঙ্গা বাজার থেকে ময়মনসিংহের একটি বোমা বিস্ফোরন মামলার পলাতক আসামী ভাঙ্গার নাহিদ মোল্লাকে আটক করা হয়। তার কথা মতো ওইদিন বিকেলে এই অঞ্চলের আনসারউল্লাহ বাংলা টিমের সামরিক কমান্ডার ফরিদ মৃধাকে তার বাড়ী সদরপুর উপজেলার দক্ষিন আলমনগর গ্রাম থেকে আটক করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে একটি গুলিভর্তি বিদেশী পিস্তল, গুলিভর্তি একটি ওয়ান শ্যুটার গান, ১২টি হাত বোমা, বোমা বানানোর পাউডার, বিস্ফোরক ও তার আরো দুই সহযোগিকে আটক করা হয়। পরে ওই রাতেই তাদের বিরুদ্ধে সদরপুর থানার ওসি (তদন্ত) আমিনুজ্জামান বাদি হয়ে মামলা দায়ের করে। এই মামলায় বিশেষ জজ আদালতের হাকিম মো. মতিয়ার রহমান প্রত্যেককে ১০ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেন। তিনি বলেন আমরা সরকার পক্ষ এই রায়ে খুশি হয়েছি।


আরও পড়ুন