রাজনীতি - 2 weeks ago

বিএনপি চায় রাষ্ট্র দুর্নীতির সঙ্গে আপোস করুক : তথ্যমন্ত্রী

বিএনপি চায় রাষ্ট্র দুর্নীতির সঙ্গে আপোস করুক। কিন্তু রাষ্ট্রের অবস্থান সব সময় দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো ট্রলারেন্স বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত একজন আসামি। তিনি এতিমখানা নির্মাণ না করে সেই টাকা নিজের ব্যাংক হিসাবে সরিয়ে ফেলেছেন। সমস্ত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তার শাস্তি হয়েছে।

শনিবার দুপুরে চট্টগ্রামের প্রথম সিনেপ্লেক্স সিলভার স্ক্রিনে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্প এবং বিশ্বায়নের চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপির পক্ষ থেকে যে দাবি করা হচ্ছে, সেটি হচ্ছে দুর্নীতির সাথে রাষ্ট্র যেন আপোষ করে। এটি করা তো সম্ভবপর নয়। বিএনপি একবার এ কথা বলছে, আবার তারা বলছে, আইনের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মুক্ত করবে। আবার বলে রাষ্ট্রপক্ষ যেন বিরোধিতা না করে। আবার বলে আন্দোলনের মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা হবে। আমি বলবো, খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টি একেবারেই আদালতের এখতিয়ার। জামিনের বিরোধিতা না করে তাদের আবদার পূরণের কোন সুযোগ নেই।

এফডিসিতে আগের মতো অনিয়ম চলবে না বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী বলেন, চলচ্চিত্রের উন্নয়নে সরকার নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে। আবার এটিও সত্য যে এফডিসিতে দেখা যাচ্ছে—কোনো যন্ত্রপাতি ক্রয় করা হলো, কিন্তু সেটি চালানোর মতো প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়নি। একটি যন্ত্রপাতি কেনার সময় কিছু পার্টস মিসিং থাকায় সেটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এ রকম হয়ে আসছে। এগুলো চিহ্নিত করে ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে। এফডিসিতে আগের মতো এসব অনিয়ম চলবে না।

তিনি বলেন, দেশের চলচ্চিত্রের সংকটকাল গেছে, এখন উত্তরণ ঘটছে। সরকারের পক্ষ থেকে এখন নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। চলচ্চিত্রের জন্য আগে ৫ কোটি টাকা অনুদান দেওয়া হতো। এখন দেওয়া হবে ১০ কোটি টাকা।

‘আগে একটি ছবির জন্য সরকার ৬০ লাখ টাকা অনুদান দিত। এখন শর্ত সাপেক্ষে সেটি ৭৫ লাখ টাকা করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ছাড়া বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রেক্ষাগৃহ খোলার বিষয়ে যদি মালিকেরা উদ্যোগ নেন সে ক্ষেত্রে তাদের যেন সহজ শর্তে ঋণ দেওয়া যায় সেটি ভাবা হচ্ছে। এর সঙ্গে দেশের বিভিন্ন জায়গায় নতুন প্রেক্ষাগৃহ খোলার উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।’


আরও পড়ুন