কুলিয়ারচর - অক্টোবর ৮, ২০১৯

কুলিয়ারচরে এক রাতে ৪ ব্যবসা প্রতিষ্টানে চুরি

আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর বাজারে একরাতে চার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৭ অক্টোবর) দিবাগত গভীর রাতে চুরির ঘটনা গুলো ঘটে।

জানা যায়, একটি সঙ্গবদ্ধ চোরের দল থানার অদুরে কুলিয়ারচর বাজারস্থ স্টেশন রোডের হাবিব মিয়ার স্টীলের দোকানের টিনের চালা কেটে ভেতরে ঢুকে বিসমিল্লাহ মেশিনারীজ দোকানের রাখা প্রায় ১২ হাজার টাকা মূল্যের গিয়ার অয়েল, মবিল ও সেলেন্সার মালামাল চুরি করে নিয়ে যায় এবং প্রতিভা কনফেকশনারী ও বিকাশ এজেন্ট এর দোকানের ফলস সিলিং কেটে ওই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ভেতরে ঢুকে নগদ প্রায় ৪০ হাজার টাকা, ১২ থেকে ১৩ হাজার টাকা মূল্যের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সিগারেট ও বডি স্প্রেসহ  কনফেকশনারীর মূল্যবান দ্রব্যাদি নিয়ে যায়। এছাড়া স্টেশন রোডের জিহাদ স্টোর ও আর্মি স্টোর নামক অপর দুইটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে একই কায়দায় দোকানে ঢুকে জিহাদ স্টোর থেকে নগদ ৭ হাজার ৫শ টাকা এবং বিয়ের সামগ্রী বিক্রি করার দোকান আর্মি স্টোর থেকে নগদ ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা ও দোকানের মালামাল চুরি করে নিয়ে যায়।

চুরির ঘটনা প্রসঙ্গে আর্মি স্টোরের মালিক সার্জেন্ট (অব:) মোজাম্মেল হক, জিহাদ স্টোরের মালিক জোবায়ের ও প্রতিভা কনফেকশনারী দোকানের মালিক পরিতোষ চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের বলেন, আমরা প্রতি মাসে বাজারের পাহারাদারের বেতন দিয়ে আসছি। তার পরেও এ বাজারে  চুরি অব্যাহত আছে। এর আট নয় মাস আগেও চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় জিহাদ স্টোর থেকে নগদ প্রায় ২৩ হাজার টাকা সহ মালামাল চুরি করে নিয়ে যায়।

কুলিয়ারচর বাজার ব্যবসায়ী পরিচালনা কমিটির সভাপতি মুফতি ইলিয়াস মাহমুদ কাসেমী রাসেলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের নিকট চুরির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।

ঘটনা প্রসঙ্গে কুলিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হাই তালুকাদার সাংবাদিকদের বলেন, বাজারে চুরির কোন সংবাদ কিংবা অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাজারের ব্যবসায়ীরা বলেন, ক’দিন পর পর বাজারের বিভিন্ন দোকানে চুরির ঘটনায় ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। পুলিশি হয়রানী হওয়ার ভয়ে কেউ মামলা করতে চায় না।


আরও পড়ুন