সিরিয়ায় কুর্দিদের লক্ষ্য করে তুরস্কের বিমান হামলা

সিরিয়ায় অভিযানের প্রস্তুতির মধ্যে কুর্দিদের ওপর বিমান হামলা চালাল তুরস্ক। সিরিয়া-ইরাক সীমান্তে কুর্দিদের লক্ষ্য করে প্রায়ই এমন হামলা চালায় দেশটি।

রুশ চ্যানেল আরটি জানায়, সীমান্তে সিরিয়ায় অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র ওই অঞ্চল থেকে নিজেদের সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণার পর এই বিমান হামলা চালায় তুরস্ক।

হামলার একাধিক ভিডিও এবং ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে দেখা যাচ্ছে।

সংবাদ সংস্থা সানা জানায়, উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ার আল-হাসাকাহ প্রদেশে কুর্দি বাহিনী এবং সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস (এসডিএফ)-কে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে।

সৌদি চ্যানেল আল-ইখবারিয়া জানায়, হাসাকাহর এসডিএফ সদর দপ্তরে হামলা চালায় তুরস্কের বিমানবাহিনী।

আবার কয়েকটি সূত্র বলছে, কুর্দি মিলিশিয়া ওয়াইপিজিকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। যাদের আঙ্কারা এসডিএফ সমর্থিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে মনে করে।

এদিকে সোমবার তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাভুসুগ্লু বলেন, ‘সিরিয়া সীমান্তে তুরস্কের উপস্থিতি সাময়িক এবং আঙ্কারা সিরিয়ার আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে।’

আবার একই দিন এক টুইটে তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘অভিযানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন। এ ধরনের একটি এলাকা (সেইফ জোন) প্রতিষ্ঠা সিরীয় নাগরিক এবং এই অঞ্চলের শান্তির জন্য আবশ্যক।’   

তুরস্ক যে কোনো মুহূর্তে এই অভিযানে যেতে পারে বলে দেশটির সংবাদমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র ওই অঞ্চলে সেনা সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিলেও ‘সীমা অতিক্রম করলে’ ফের তুরস্কের অর্থনীতি ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেট-আইএস জঙ্গিদের পরাজিত করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র ছিল কুর্দি যোদ্ধারা। রিপাবলিকান মিত্ররা এ জন্য ট্রাম্পের সেনা সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করলে পরবর্তীতে এমন হুঁশিয়ারি দেন তিনি।


আরও পড়ুন