ধেয়ে আসছে ভয়ংকর ‘বুলবুল’ আতঙ্কিত উপকূলের মানুষ

আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে ১০ নম্বর মহাবিপদসংকেত ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে আতঙ্ক বিরাজ করছে বরগুনার আমতলী তালতলীসহ জেলার ৬ টি উপজেলার বাসিন্দাদের মধ্যে।

২০০৭ এর ১৫ নভেম্বর প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড় সিডরের ভয়াবহতা আজও এ অঞ্চলের লোকজনকে আতঙ্কিত করে। ঝড় জলোচ্ছ্বাসে সব থেকে আতঙ্কে থাকে এ অঞ্চলের নদী তীরের মানুষ। ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে গত রাত থেকে বৃষ্টিসহ ঝড়ে হাওয়া অব্যাহত রয়েছে। পায়রা নদীর পনি ২-৩ ফুট উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিভিন্ন এলাকায় নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় ভাঙনের তীব্রতাও বৃদ্ধি পেয়েছে। অভ্যন্তরীণ রুটে সব নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

শনিবার (০৯ নভেম্বর) ৫টা পর্যন্ত কোনো আশ্রয় কেন্দ্রে অনেক লোকজন পৌছে গেছে সন্ধ্যা নাগাত নদী তীরের লোকজন আশ্রয় কেন্দ্রে পৌঁছাবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনিরা পারভীন।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ভয়ংকার বুলবুল মোকাবিলায় এ উপজেলার ০৭টি ইউনিয়নে ৯৩টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা রাখা হয়েছে। এছাড়াও সকল প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাদরাসা খোলা রাখা হয়েছে। বুলবুলের ক্ষতি মোকাবিলায় আমতলী উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসন জনগণকে সচেতন করতে সার্বক্ষণিক মাইকিং করে প্রচারণ চালাচ্ছেন।

এছাড়াও আমতলী ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা মাইকিং করে জনগণকে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার জন্য তাগিদ দিচ্ছেন।

আমতলী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনিরা পারভীন বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন।

আমতলী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গোলাম সরোয়ার ফোরকান সকলকে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন।


আরও পড়ুন