জাতীয় - প্রচ্ছদ - December 6, 2019

চালের দাম ঊর্ধ্বমুখী

পেঁয়াজের দাম কমছে না। শীতের সবজিসহ অন্যান্য কাঁচা তরকারির দামও বাড়তি। এরই মধ্যে চালের বাজার ঊর্ধ্বমুখী। কেবল সরকারি হিসেবেই গত একমাসের ব্যবধানে চালের দাম বেড়েছে ৪ টাকা। ৬ নভেম্বর মোটা চাল কেজি প্রতি ৩০ টাকা দরে বিক্রি হলেও ৬ ডিসেম্বর সেটার দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৩৪ টাকায়। তবে এটা বাড়াকে অস্বাভাবিক মনে করছে না ব্যবসায়ীরা। প্রতিবছর এ সময়ে দাম কিছুটা বাড়ে বলে জানান তারা।

সরকারি বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর তথ্য মতে, গত এক মাসে সব ধরনের চালের মূল্য বেড়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে মাঝারি ধরনের চালের মূল্য। গত এক মাসে এই চালের মূল্য বেড়েছে ৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ। গত ৬ নভেম্বর মাঝারি ধরনের চালের প্রতি কেজির মূল্য ছিল ৪২ থেকে ৪৮ টাকা। আর এই মাসে অর্থাৎ শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) এই চাল প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৪৬ থেকে ৫২ টাকা। অর্থাৎ এক মাসে প্রতি কেজিতে বেড়েছে ৪ টাকা।

টিসিবির হিসাব অনুযায়ী, একমাসে পাইজাম ও লতা (উত্তম মানের) চালের মূল্য বেড়েছে ৮ দশমিক ৫১ শতাংশ। পাইজাম ও লতা (সাধারণ মানের) চালের মূল্য বেড়েছে ৬ দশমিক ৮২ শতাংশ। নাজির ও মিনিকেট (উত্তম মানের) চালের মূল্য বেড়েছে ৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ। নাজির ও মিনিকেট (সাধারণ মানের) চালের মূল্য বেড়েছে ৬ দশমিক ১৯ শতাংশ। সরু চালের মূল্য বেড়েছে ৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ। আর মাঝারি মানের চালের মূল্য বেড়েছে ৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ।

খুচরা বিক্রেতারা জানান, চিকন চালের পাশাপাশি মোটা চালের দাম কিছুটা বেড়েছে। পাইকারি বাজারে দাম বেড়েছে বলে খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে।

বাংলাদেশ রাইস মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নাঈম মিয়া বলেন, ‘বাজারে চালের কোনো সংকট নেই। কিছুদিনের মধ্যেই বাজারে নতুন চাল ঢুকবে। নতুন চাল আসার আগে বাজার খানিকটা চড়া। এটা আবার ঠিক হয়ে যাবে খুব দ্রুত।’

তবে চাল নিয়ে কারও উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনও কারণ নেই বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, ‘চালের মূল্য মোটেই বাড়ছে না, সরু চালের মূল্য কিছুটা বেড়েছে, তবে যেটা বেড়েছে সেটা গতবারের থেকে অনেক কম বেড়েছে। যেটা কম ছিল সেটা বেড়েছে।’


আরও পড়ুন