খেলার খবর - December 27, 2019

বিসিবির কাছে ফের ব্যাখ্যা চাইলো পাকিস্তান

বৃহস্পতিবারও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) কার্যালয়ে এসে পাকিস্তান সফরে শুধুমাত্র টি-টোয়েন্টি খেলার কথা জানিয়ে দিলেন সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। তিনি সরাসরি বলে দিয়েছে, পাকিস্তানে গিয়ে টেস্ট খেলবে না বাংলাদেশ। সর্বোচ্চ ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে। তবে তা নিয়েও একটা ‘কিন্তু’ রেখে দিয়েছেন পাপন।

বিসিবি সভাপতির এই বক্তব্য প্রকাশ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আবারও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডে জোর আলোচনা-গুঞ্জন। এরই মধ্যে পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় সংবাদ মাধ্যম দ্য ডনের এক খবরে বলা হয়েছে, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) আবারও তাদের দেশে টেস্ট খেলতে না যাওয়ার সঠিক ব্যাখ্যা দাবি করেছে বিসিবির কাছে।

পিসিবির এক সিনিয়র কর্মকর্তা দ্য ডনের কাছে বলেন, ‘আইসিসি নির্ধারিত ফিউচার ট্যুর প্ল্যান (এফটিপি) মোতাবেকই এই সিরিজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এখন আইসিসির এই নির্দেশনা পালনে বাংলাদেশের সামনে সত্যিকারার্থেই কি কি বাধা রয়েছে, বিসিবির কাছে সেগুলোই জানতে চেয়েছে পিসিবি।’

পিসিবি ই-মেইলের মাধ্যমে যে চিঠি বিসিবির কাছে বৃহস্পতিবার পাঠিয়েছে, সেটা হাতে পেয়েছে পাকিস্তানি মিডিয়া। যেখানে শ্রীলঙ্কার সম্প্রতি পাকিস্তান সফরের কথা লেখা হয়েছে।

পিসিবি লিখেছে, ‘কোনো সমস্যা ছাড়াই দুইবারে পাকিস্তান সফর করে গেছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দল। এই দুই বারে মোট ৩৪ দিন তারা পাকিস্তানে অবস্থান করেছে। দু’বারই ছিল ১৭ দিনের করে সফর। এর মধ্যে সেপ্টেম্বর/অক্টোবরে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলে গেছে তারা। টেস্ট সিরিজ খেলেছে ডিসেম্বরে। ওয়ানডে সিরিজ অনুষ্ঠিত হয়েছে করাচিতে এবং টি-টোয়েন্টি অনুষ্ঠিত হয়েছে লাহোরে। এরপর চলতি ম্যাসে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ অনুষ্ঠিত হয়েছে রাওয়ালপিন্ডি এবং করাচিতে।’

পিসিবির এক মুখপাত্র মিডিয়াকে বলেন, ‘আমরা বিসিবিকে প্রস্তাব দিতে চাই, তাদের যদি কোনো বিষয়ে চিন্তা থাকে, তাহলে তারা পাকিস্তানে আসুক, দেখুক এবং আমাদের সঙ্গে আলোচনা করুক, তাদের দুঃশ্চিন্তার কারণ জানাক, আমরা সেটাকে সমাধান করবো এবং তাদেরকে আরও ভালো পথ প্রদর্শণ করতে পারবো।’

পিসিবি এখনও আত্মবিশ্বাসী যে বাংলাদেশ টেস্ট এবং টি-টোয়েন্টি- দুই সিরিজই খেলতে যাবে। ওই মুখপাত্র বলেন, ‘আলোচনা চলছে এবং আমরা খুবই আত্মবিশ্বাসী যে, বিসিবি তাদের সিদ্ধান্ত পূনর্বিবেচনা করবে।’

পিসিবি আরও একটি পত্র পাঠিয়েছে আইসিসির কাছে। তাদের নেয়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ এবং অনুমোদন দেয়ার জন্য।


আরও পড়ুন