Uncategorized - January 15, 2020

পিসিবি’র কাছে বিসিবি’র কূটনৈতিক হার দেখছেন না পাপন

কয়েকদিন আগেও বাংলাদেশ দলের আসন্ন পাকিস্তান সফর নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা শুনিয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বলা হচ্ছিল এই সফরে গেলেও টেস্ট খেলবে না তারা, শুধু টি-টোয়েন্টি খেলবে। কিন্তু দুবাইয়ে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) প্রধান এহসান মানির সঙ্গে বৈঠকের পর যেন সব বদলে গেল।

পাকিস্তান সফরে যাবে বাংলাদেশ দল। শুধু তাই নয় টেস্ট, টি-টোয়েন্টির পাশাপাশি আইসিসি’র ফিউচার ট্যুর প্রোগ্রামের বাইরে একটি ওয়ানডেও খেলবে তারা। তিন ধাপে হবে টাইগারদের এ সফর! বিষয়টাকে পিসিবি’র কাছে বিসিবি’র কূটনীতিক পরাজয় হিসেবে দেখছেন অনেকে। তবে এমনটা মানতে নারাজ বিসিবি প্রধান নাজমুল হাসান পাপন।

বুধবার এ ব্যাপারে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “ক্রিকেট কূটনীতিতে হার! এটা কেন বলছে কোনো কারণই আমি খুঁজে পাচ্ছি না। আমি জানি না। আমার কাছে অদ্ভুত লাগছে। আমরা প্রথম থেকে যেটা বলেছি সেটাই হয়েছে। আমার কাছে তেমনই মনে হচ্ছে।”

অথচ গত রোববারই বিসিবির বোর্ড সভা শেষে পাপন জানিয়েছিলেন, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে পাকিস্তান সফরে টেস্ট খেলার অনুমতি দেয়নি সরকার।

সরকার কী তাহলে এখন অনুমতি দিচ্ছে? জবাবে বিসিবি প্রধান বলেন, “সরকার থেকে যেই বিষয়টা বলা আছে, আমরা যেরকম আগে থেকে বলেছি ওইরকমই হয়েছে। ওখানটায় লিখেছে যে প্রথমে টি-টোয়েন্টি খেলে আসবে। তারপরে অবস্থা বিবেচনা করে পরবর্তী সময়ে গিয়ে টেস্টগুলো খেলে আসবে। আমরা এখনো সেই ধারাতেই আছি।”

সূচির বাইরেও ওয়ানডে ম্যাচের যুক্তি দেখিয়ে পাপন বলেন, “পাকিস্তানে গিয়ে পাকিস্তানের সাথে খেলার আগে একটা প্রস্তুতি ম্যাচ দরকার। আমাদের কাছে মনে হয়েছে টি-টোয়েন্টির চেয়ে ওয়ানডে হলে হয়তো অনুশীলনটা ভালো হবে।”

পিসিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ২৪, ২৫ ও ২৭ জানুয়ারি লাহোরে তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলবে বাংলাদেশ। ওই সিরিজ খেলে দেশে ফিরে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে টেস্ট খেলতে দল আবার যাবে পাকিস্তানে। ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচ হবে রাওয়ালপিন্ডিতে।

বাংলাদেশের তৃতীয় দফার সফর এপ্রিলে। ৩ এপ্রিল করাচিতে একটি ওয়ানডে খেলবে দুই দল। তার পর একই শহরে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের আরেকটি টেস্ট ৫ এপ্রিল থেকে।


আরও পড়ুন