জাতীয় - প্রচ্ছদ - February 22, 2020

জঙ্গিবাদের সংবাদ প্রকাশের সময় সতর্ক থাকতে হবে

জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের সংবাদ পরিবেশনে সতর্ক থাকার কথা বলেছেন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন‌্যাশনাল ইউনিট।

ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম বলেছেন, জঙ্গি বা সন্ত্রাসবাদ বেশিরভাগ দেশেই একটি অভ্যন্তরীণ সমস্যা। তবে বাংলাদেশে এ সমস্যা কাটিয়ে উঠছে। এ কারণে জঙ্গিবাদ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ পরিবেশনের সময় সতর্ক থাকতে হবে।

শনিবার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মনিরুল ইসলাম বলেন, গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্সে (জিটিআই) সন্ত্রাসবাদের ঝুঁকি থেকে ছয় ধাপ কমে বাংলাদেশ ৩১ নম্বরে এসেছে। জিটিআই হলো প্রতি বছর ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস (আইইপি) দ্বারা প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন। সংস্থাটি ২০০০ সাল থেকে সন্ত্রাসবাদের মূল বৈশ্বিক প্রবণতা এবং নিদর্শনগুলো সরবরাহ করে। এর আগে ২৩টি গুণগত ও পরিমাণগত নির্দেশকের ভিত্তিতে বিশ্বের ১৬৩টি দেশের পরিস্থিতি নিয়ে তৈরি করেছে বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচক।  এসব দেশের জনসংখ্যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৯৯ দশমিক ৭ শতাংশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

মনিরুল বলেন, ‘এ দেশে সন্ত্রাসবাদের প্রভাব মাঝারি মাত্রার। ২০১৮ সালের সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ২৫তম। এর আগের বছর বাংলাদেশ ছিল ২১তম। অর্থাৎ সন্ত্রাসবাদ দমনে ধারাবাহিকভাবে উন্নতি করছে বাংলাদেশ। সব মিলিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এবার বাংলাদেশের অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি।’

দক্ষিণ এশিয়ার সন্ত্রাসবাদ পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রতিবেদনে বলা হয়, এই অঞ্চলের মালদ্বীপ বাদে বাকি সাত দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ। বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে নেপাল (বৈশ্বিক তালিকায় ৩৪তম), শ্রীলঙ্কা (৫৫তম) ও ভুটান (১৩৭তম) । এই অঞ্চলে আফগানিস্তান বাদে বাকি ছয় দেশ ২০১৮ সালে সন্ত্রাসবাদ পরিস্থিতিতে উন্নতি করেছে। এই ছয় দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অগ্রগতি হয়েছে বাংলাদেশের।


আরও পড়ুন