রাঙামাটিতে শক্তিমান চাকমা হত্যার প্রধান আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

রাঙামাটিতে নানিয়ারচর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শক্তিমান চাকমা হত্যা মামলার প্রধান আসামি অর্পন চাকমা ওরফে বাবুধন চাকমা নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে।

বুধবার ভোরে সদর উপজেলার বন্দুকভাঙ্গা ইউনিয়নের মাইসভাঙ্গা এলাকায় এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

নিহত অর্পন চাকমা ইউপিডিএফের সশস্ত্র শাখার সদস্য বলে জানায় নিরাপত্তা বাহিনী।

ঘটনার পর দুপুরে রাঙামাটি সেনা জোনে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, রাঙামাটি জোনের সুবলং ক্যাম্পের নিয়মিত টহল দল নৌযানে বন্দুকভাঙ্গার বানাসছড়ি এলাকায় যায়।

তারা মাইসভাঙ্গা এলাকায় নামার পর পাহাড় থেকে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা আকস্মিক গুলিবর্ষণ শুরু করে। এ সময় আত্মরক্ষার্থে টহল দলও পাল্টা গুলিবর্ষণ করে। এ সময় আরও একটি টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছার পর ২০-২৫ মিনিট গুলিবর্ষণের পর সন্ত্রাসীরা পিছু হটে।

এরপর নিরাপত্তা বাহিনী পুরো এলাকা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করে। তল্লাশির একপর্যায়ে অর্পন চাকমার লাশ উদ্ধার করা হয়।

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, মৃতদেহের সঙ্গে একটি ব্যাগে রক্ষিত টেলিফোন, চাঁদার রশিদ ও অন্যান্য ব্যক্তিগত সরঞ্জামাদি পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি অত্যাধুনিক বিদেশি পিস্তল, একটি দেশীয় অস্ত্র, বেশ কিছু পিস্তলের গুলি, এলজির কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।

এ সময় দাবি করা হয় হয়, অর্পন চাকমা ও তার সহযোগীরা বিগত তিন থেকে চার মাস ধরে বন্দুকভাঙ্গার বানাসছড়ি এলাকায় নিয়মিত স্থানীয় জনগণের কাছ থেকে চাঁদা উত্তোলন করে আসছে।


আরও পড়ুন