করিমগঞ্জ - March 18, 2020

মুজিব শতবর্ষ স্বরণীয় করে রাখতে ফুটবল খেললেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা

শেখ মাসুম ।। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ‘মুজিববর্ষ’ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলায় প্রীতি ফুটবল, আনন্দ মিছিল, মোমবাতি প্রজ্জ্বলন, কেক কাটা, মিষ্টিমুখ ও আতশবাজি সহ নানা কর্মসূচি পালন করা হয়।

নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহফুজুল হক হায়দারের পরিকল্পনা ও সার্বিক সহযোগিতায় করিমগঞ্জ উপজেলার গুজাদিয়ায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) এসব কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

বিকালে স্থানীয় স্কুল খেলার মাঠে বীর মুক্তিযোদ্ধা একাদশ বনাম গুজাদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ একাদশের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। প্রীতি ফুটবল ম্যাচে বীর মুক্তিযোদ্ধা একাদশ এবং গুজাদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ একাদশের খেলোয়াড়েরা লাল-সবুজ জার্সি পড়ে খেলায় অংশ নেন। ব্যতিক্রমি এই ফুটবল ম্যাচ দেখতে এলাকার সর্বস্তরের মানুষ এবং শিশু-কিশোরেরা ভিড় করেন। ফলে খেলা শুরুর আগেই দর্শকে পরিপূর্ণ হয়ে যায় মাঠের চারপাশ।

এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি করিমগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক আলহাজ্ব নাসিরুল ইসলাম খান আওলাদ, অনুষ্ঠানের সভাপতি গুজাদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. হান্নান মোল্লা। এছাড়াও ইউনিয়ন কৃষক লীগের আহ্বায়ক মিসবাহ উদ্দিন ভুঁইয়া হলুদ, সদস্য সচিব আব্দুল কাইয়ুম, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আসাদুল হক, সাধারণ সম্পাদক সুমন সিরাজী প্রমুখসহ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ নেতৃবৃন্দ ও বিপুল সংখ্যক দর্শক প্রীতি ফুটবল ম্যাচটি উপভোগ করেন।

প্রীতি ফুটবল ম্যাচ পরিচালনায় ছিলেন গুজাদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মাসুদ। এছাড়া উপস্থাপনায় ছিলেন চাঁনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হুমায়ুন কবির। প্রীতি ফুটবল ম্যাচ আয়োজনে সহযোগিতায় ছিলেন শিহাব ইমন সহ যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগও ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ।

আকর্ষণীয় এই প্রীতি ফুটবল ম্যাচে বীর মুক্তিযোদ্ধা একাদশ বিজয়ী হয়। প্রীতি ফুটবল ম্যাচে অংশগ্রহণকারী দুই দলের সদস্যদের হাতে প্রধান অতিথি পুরস্কার তুলে দেন।

পরে সন্ধ্যায় এলাকায় আনন্দ মিছিল বের করা হয়। আনন্দ মিছিল শেষে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করা হয়। এছাড়া কেক কাটা ও এলাকাবাসীকে মিষ্টিমুখ করানো হয়। সবশেষে রাত ৮টায় আতশবাজি পোড়ানো হয়। বর্ণিল আতশবাজিতে মুগ্ধ হন সর্বস্তরের এলাকাবাসী।


আরও পড়ুন