করোনা সন্দেহে হাসপাতাল থেকে পালিয়েছে রোগী, পুলিশের উদ্ধারের চেষ্টা

আমতলী উপজেলার প্রাণঘাতী করোনা সন্দেহে রোগী মনির খাঁন নামে এক ব্যক্তি শনিবার রাতে হাসপাতাল থেকে পালিয়েছে। পুলিশ তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করছে।

রবিবার দুপুর পর্যন্ত তাকে উদ্ধার করতে পারেনি। তবে পুলিশ তার অবস্থান নিশ্চিত করেছেন বলে জানান ওসি আবুল বাশার।

জানাগেছে, আমতলী উপজেলার দক্ষিণ পশ্চিম আমতলী গ্রামের মনির খাঁন (৪০) গত বৃহস্পতিবার আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে ভর্তি হয়। হাসপাতালের চিকিৎসকরা তার পরীক্ষা করে নিশ্চিত হন তার শরীরে ডেঙ্গু  জ্বর হয়নি। শনিবার রাতে মনির খানের শরীরে জ্বর, কাশি ও গলা ব্যথা দেখা দেয়। এ নমুনা দেখে চিকিৎসকরা তার করোনা ভাইরাস আক্রান্ত করেছে বলে সন্দেহ হয়। পরে চিকিৎসকরা তাকে হাসপাতালের কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেন। করোনা সন্দেহে রোগী মনির খান কোয়ারেন্টাইনে থাকার কথা শুনে ওই রাতেই হাসপাতালের চিকিৎসক,সেবিকা ও আয়াদের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়। তাৎক্ষনিক উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শংকর প্রসাদ অধিকারী আমতলী থানার ওসিকে অবহিত করেন। এরপর থেকে পুলিশ হন্য হয়ে মনিরকে খুজে বেড়াচ্ছেন। রবিবার দুপুরে পুলিশ মনিরের পালিয়ে থাকায় অবস্থান নিশ্চিত করেছেন। মনির ভয়ে পালিয়ে ছুরিকাটা শ্বশুর জলিল মৃধার বাড়ীতে অবস্থান করছেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ওসি আবুল বাশার। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মনিরকে উদ্ধার করতে পারেনি।

করোনা ভাইরাস সন্দেহে রোগী মনির খানের স্ত্রী নাজমা বেগম বলেন, আমরা বাবার বাড়ীতে অবস্থান করছি।

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শংকর প্রসাদ অধিকারী বলেন, মনিরকে ডেঙ্গুজ্বর সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি করেছিলাম। কিন্তু পরিক্ষা পরে তার শরীরে ডেঙ্গুর নমুনা পাওয়া যায়নি। কিন্তু তার শরীরের জ্বর, কাশি ও গলা ব্যাথা বৃদ্ধি পেলে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে বলে সন্দেহ হয়। পরে তাকে হাসপাতালের কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিলে তিনি পালিয়ে যান। তাকে উদ্ধারের জন্য পুলিশকে জানিয়েছি।

আমতলী থানার ওসি মোঃ আবুল বাশার বলেন, খবর পেয়ে মনিরকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। মনির তার শ্বাশুর বাড়ীতে অবস্থান করছে। দ্রুত সময়ের মধ্যেই তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে হস্তান্তর করা হবে।


আরও পড়ুন