ছুটি বাড়ানো নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী

করোনা মহামারির পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে চলমান ছুটি বাড়ানো হবে কি না এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

রোববার দুপুর ১২টার দিকে মহাখালীতে আইইডিসিআরের সম্মেলন কক্ষে এক ব্রিফিংয়ে অনলাইনে যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘৪ এপ্রিল আমাদের ছুটি শেষ হচ্ছে। আমরা পর্যবেক্ষণ করব, আপনারও করবেন, দেশবাসী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও করবেন। যদি কিনা এই ১০ দিনের মধ্যে আমাদের দেশের ও পৃথিবীর পরিস্থিতি মোটামুটি সহনশীল অবস্থায় আসে, ভালো আসে তখন এক ধরনের চিন্তা হবে। তখন আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে পরামর্শ দেব অবস্থা দেখে পদক্ষেপ নেওয়ার।’

‘সেটা (করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব) ওই সময় শেষ হয়ে যেতে পারে বা উনি যদি বাড়াতে চান সেটা চিন্তা-ভাবনা করে পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত দেবেন’, বলেন জাহিদ মালেক।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বলা হচ্ছে করোনা নিয়ে সরকারের প্রস্তুতি নেই। এটা সঠিক নয়, গত জানুয়ারি থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে বিমানবন্দরে স্ক্যানিং জোরদার করা হয়েছে। কিন্তৃ প্লেন কমানো বা বিদেশিদের আগমন ঠেকানোর কাজ তো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের না! যারা এখনো আজও আসছেন সেটাও ঠেকানোর ক্ষমতা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নাই। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের চিকিৎসা ব্যবস্থা দিতে পারে।

তিনি বলেন, অনেকে বলছেন আমাদের ভেন্টিলেটর সংখ্যা মাত্র ২৯টি। যেটা সঠিক নয়। আমাদের কাছে আজও ৫০০’র কাছাকাছি ভেন্টিলেটর আছে। আরও সাড়ে তিনশ আসছে। কাজে আমি মনে করি বিভ্রান্ত করার মতো কোন সংবাদ পরিবেশন করা উচিত না। এখন আমাদের কাজ হলো সকলে মিলে একযোগে কাজ করা। যেটা এখন আমরা করছি। কারণ আমাদের সঙ্গে আছে পুরো দেশবাসী। আমার পরামর্শ থাকবে স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে যে নিয়মগুলো দেওয়া রয়েছে সেগুলো পালন করে চলুন।

এদিকে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আর কেউ করোনাভাইরাস সংক্রান্ত কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। এ পর্যন্ত দেশে করোনা সংক্রমিত রোগী ৪৮ জনই। নতুন করে কারও মৃত্যুও হয়নি।

আজ দুপুর ১২টায় মহাখালীতে আইইডিসিআরের সম্মেলন কক্ষ থেকে করোনাভাইরাস সংক্রান্ত সার্বিক পরিস্থিতি জানাতে অনলাইনে লাইভ ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।


আরও পড়ুন