কাপাসিয়ায় যুবকের মৃত্যু নিয়ে পরিবার ও স্থানীয় লোকজনের ভিন্ন বক্তব্য

গাজীপুরের কাপাসিয়ার টোক ইউনিয়নের উলুসারা গ্রাসের সেলিম মিয়া (২২) নামের এক যুবক মারা গেছেন। গতকাল মঙ্গলবার রাতে নিজ বাড়িতে এই যুবকের মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যু নিয়ে পরিবার ও স্থানীয় লোকজন ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন।

যুবকের মৃত্যুর সংবাদটি স্থানিয় ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম কবির এর বরাদ দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে করোনায় আক্রান্ত মৃত্যু হয়েছে বলে প্রচার করা হয়।

নিহত সেলিম নারায়ণগঞ্জে একটি হাসপাতালে ডিএমফ ডিপ্লোমা চিকিৎসক ইন্টার্নশিপে কাজ করতেন। গত ২ সপ্তাহ পূর্বে বাড়িতে আসে। ৮ এপ্রিল সকাল ১১ টায় পারিবারিক কবরস্থানে লাশ দাফন করা হয়।

এলাকায় মানুষের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে। তাদের দাবী, করোনার উপসর্গ নিয়ে যুবকের মৃত্যু হয়েছে করোনার বিস্তার রোধে শুধু যুবকের বাড়ী নয়, আশপাশের এলাকা লক ডাউন করা হোক।

সেলিমের পিতা সুরুজ আলী জানান, হৃদযন্ত্রে ক্রিয়া বন্ধ হয়ে রাত আনুমানিক ১ টার দিকে সে মারা যায়। তার কোন জর, ঠান্ডা বা কাশি ছিল না। মানুষে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। আমার ছেলের আগে কখনো অসুস্থ্য ছিল না।

তবে স্থানীয় কয়েকটি সূত্রে জানা গেছে, সেলিম করোনা রুগে আক্রান্ত কি না তা আমরা আগে জানতাম না। তার মৃত্যুর পর অনেকেই সন্দেহ সে করোনায় মারা গেছে।

কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: আব্দুস সালাম সরকার জানান, ওই যুবক ২ সপ্তাহ আগে নারায়ণগঞ্জ থেকে বাড়িতে আসে। গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১ টার দিকে তার মৃত্যু হয়। মৃত যুবক ও তার বাবা মা, ভাই বোনসহ পরিবারের সকলের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। তার পরিবার সকলে হোম কোয়ারান্টিনে থাকতে বলা হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলে বলা যাবে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে কি না।

কাপাসিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসা: ইসমত আরা জানান, ওই যুবকের বাড়িতে লাল পতাকা টানিয়ে লোকজনদের হোম কোয়ারান্টিনে রাখা হয়েছে। রির্পোট পাওয়ার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


আরও পড়ুন