দেশের খবর - April 20, 2020

সালিশের দুইঘন্টা পরেই গৃহবধৃর আত্মহত্যা

নীলফামারীর ডোমারে সালিশের দুই ঘন্টা পরেই মিশু আক্তার(২৭) নামে এক গৃহবধু ইদুর মারার ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যা করেছে।

রবিবার সন্ধায় উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের টংবান্ধা আদর্শপাড়া গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।

নিহত মিশু আক্তার টংবান্ধা আদর্শপাড়া গ্রামের মাওঃ মমিনুর রহমানের স্ত্রী এবং ভোগডাবুড়ি ইউনিয়নের মৃতঃ মঞ্জু রহমানের মেয়ে। ময়না তদন্তের জন্য তার লাশ পঞ্চগড়ের মর্গে প্রেরন করা হয়েছে। মিশু আক্তারের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার স্বামী মমিনুর রহমান।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয় বাবুল হোসেনের ছেলে আলিফ ইসলাসকে নিহত মিশু আক্তারের ঘড়ের পাশে ঘুরাঘুরি করতে দেখেন তার স্বামী মমিনুর রহমান। মমিনুর রহমানকে দেখে পালিয়ে যান আলিফ ইসলাম। পরদিন বিষয়টি স্থানীয় ইউপি সদস্য বাবুকে জানায় মমিনুর রহমান। এ ব্যাপারে স্থানীয়ভাবে বসে বিষয়টি মিমাংসা করে দেন ইউপি সদস্য বাবু। রবিবার মমিনুর রহমানের বাড়ীতে বিষয়টি জানতে পেরে মিশূর মা ও চাচা আসেন। সেখানে ডেকে নেওয়া হয় ইউপি সদস্য বাবুকে।

দুপুরে আলিফের বিষয়টি মমিনুর রহমান তার শ্বাশুড়ী ও চাচা শ্বশুর কে ইউপি সদস্যর সামনে ঘটনার অবতারনা করলে দুই পক্ষের আলোচনায় বিষয়টির মিমাংসা হয়ে যায়। এদিকে মা ও চাচা কে আলিফের বিষয়টি জানানোকে ভালোভাবে নেয়নি মিশু আক্তার। তার মা ও চাচা বাড়ী থেকে চলে যাওয়ায দুই ঘন্টা পরেই সকলের অগোচড়ে বাড়ীতে রাখা ইদুর মারা ওষুধ খেয়ে ফেলেন মিশু আক্তার। বিষয়টি বুঝতে পেরে পরিবারের সদস্যরা তাকে দেবীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। তার মৃত্যুর খবরে পালিয়ে যান আলিফ ইসলাম।

ইউপি সদস্য বাবু জানান, আলিফের বিষয়টি দুই পক্ষের উপস্থিতিতে মিমাংসা করা হয়েছে। রবিবার মেয়েটির মা তাদের বাড়ীতে আসলে সেখানেও ভুল বুঝাবুঝির অবসান ঘটে। বাড়ী আসার পর শুনি সে ইদুর মারার ওষুধ খেয়েছে।

এ ব্যাপারে দেবীগঞ্জ থানায় ইউডি মামলা হয়েছে। ময়না তদন্তের জন্য তার লাশ জেলার মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রবিউল হাসান। 


আরও পড়ুন