চাল চুরি কমাতে, গুলি করে মৃত্যুদণ্ডের আইনটি কার্যকর করার দাবি

চাল চুরি ও কালোবাজারি ঠেকাতে ১৯৭৪ সালে প্রণয়ন করা হয়েছে বিশেষ ক্ষমতা আইন। যে আইনে অপরাধ প্রমাণিত হলে মৃত্যুদণ্ডেরও বিধানও রয়েছে । এমনকি, এই মৃত্যুদণ্ড গুলি করে বাস্তবায়ন করারও বিধান রয়েছে সেখানে।

ওই আইন এসময়ে এসে কেন প্রয়োগ করা হবেনা, এমন প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী প্রশান্ত কুমার কর্মকার বলেন, প্রথমত ত্রাণ চুরি বা এ ধরনের যেকোন মামলায় দৃষ্টান্তমূলক কোনো সাজার নজির নেই। মামলা হয়, কিন্তু এক সময় তা মানুষ ভুলে যায়। রাজনৈতিক পরিচয় থাকায় মামলাগুলো এক সময় অচল হয়ে পরে।

সরকার যদি এ ধরনের অপরাধের মামলার বিচার দ্রুত সময়ে নিষ্পত্তি করার উদ্যোগ নেন, দ্রুত সময়ে অপরাধীদের সাজার ব্যবস্থা করা হয়, তবে অপরাধ অনেকাংশে কমে আসতো। যত দিন না অপরাধীরা অপরাধ করেও বার বার পার পাওয়ার পথ বন্ধ না হবে, দুনিয়ার কোনো আইন দিয়েই অপরাধ ঠেকানো যাবে না।

এদিকে, রাজনৈতিক প্রভাব থাকায় আইনে মৃত্যুদণ্ডের বিধান থাকলেও অনেকেই তোয়াক্কা করছে না চুরি ও কালোবাজারি করতে।

এর কারণ হিসেবে অনেকেই বলছেন, যারা এম কাজ করছে তাদের অনেকেই জানে না মজুতদারি অথবা কালোবাজারি ঠেকাতে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে বিশেষ ক্ষমতা আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। আবার অনেকে রাজনৈতিক পরিচয়ে জামিন নিয়ে মামলার কার্যক্রম ঝুলিয়ে দিচ্ছেন। আবার কোনো ক্ষেত্রে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চাল চোরদের সাময়িক শাস্তি দেওয়া হলে মুক্তি পেয়ে আরো বেপরোয়া হয়ে উঠছে। মজুতদারি অথবা কালোবাজারের কারবারের অপরাধে আইনের বাস্তবায়ন হলে এ ধরনের পুনরাবৃত্তি হতো না বলে মনে করেন আইন বিশেষজ্ঞরা।


আরও পড়ুন