দেশে একদিনে রেকর্ড আক্রান্ত, মৃত্যু ১৪

দেশে চব্বিশ ঘণ্টায় রেকর্ড ১,২৭৩ জনের মধ্যে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এই সময়ে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের।

তাতে কভিড-১৯ এ মোট মৃত্যু দাঁড়িয়েছে ৩২৮ জন। গত একদিনে মৃত্যুবরণ করা চৌদ্দজনের মধ্যে ১৩ জন পুরুষ, একজন নারী। শনাক্তের বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১.৪৭ শতাংশ।

দেশে আক্রান্তের আগের রেকর্ড ছিল ১,২০২ জন, ১৫ মে। নতুন বারোশো ছাড়ানো আক্রান্ত নিয়ে মোট আক্রান্ত দাঁড়িয়েছে ২২,২৬৮ জন।

সুস্থ হয়েছেন মোট ৪,৩৭৩ জন। চব্বিশ ঘণ্টায় আরোগ্য লাভ করেছেন ২৫৬ জন। সুস্থতার হার ১৯.৬৪ শতাংশ।

করোনাভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে বরিবার দুপুরে এসব হালনাগাদ তথ্য তুলে ধরেন অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি জানান, চব্বিশ ঘণ্টায় ৪২টি ল্যাব থেকে করোনার নমুনা সংগ্রহ করা হয় ৮,৫৭৪টি, পরীক্ষা করা হয় ৮,১১৪টি। তাতে রেকর্ড ১,২৭৩ জনের শরীরে কভিড-১৯ এর উপস্থিতি পাওয়া যায়।

মৃত্যুবরণ করা ১৪ জনের ঢাকা বিভাগের (ঢাকা শহরের পাঁচজন) নয়জন, চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচজন। এর মধ্যে হাসপাতালগুলোতে মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের, বাসায় একজনের।

তাদের বয়স ১১-২০ বছরের মধ্যে একজন, ৩১-৪০ বছরের মধ্যে একজন, ৪১-৫০ বছরের মধ্যে দুজন, ৫১-৬০ বছরের মধ্যে তিনজন, ৬১-৭০ বছরের মধ্যে তিনজন, ৭১-৮০ বছরের মধ্যে তিনজন এবং ৮১-৯০ বছরের মধ্যে একজন।

চব্বিশ ঘণ্টায় আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে ২৭৬ জনকে, ছাড় পেয়েছেন ৭৪ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ৩,২৪৮ জন; এ পর্যন্ত ছাড় পেয়েছেন ১,৬০৪ জন।

একদিনে কোয়ারেন্টাইনে নেওয়া হয়েছে ৩,৬৩৪ জনকে; ছাড় পেয়েছেন ২,৩৫৮ জন। বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে আছেন ৪৯ হাজার ৪১৭ জন।

গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের উহান থেকে সূত্রপাতের পর এরই মধ্যে বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৪৬ লাখ; মৃত্যুর সংখ্যা পৌঁছেছে ৩ লাখ ১১ হাজারে।

বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম রোগীর খোঁজ মেলে; এর দশ দিনের মাথায় ঘটে প্রথম মৃত্যু।


আরও পড়ুন