লাদাখে মুখোমুখি ভারত ও চীনের সেনাবাহিনী

লাদাখ ও সিকিম সীমান্তে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা সংলগ্ন এলাকায় গত কয়েক দিন ধরে মুখোমুখি অবস্থান ধরে রেখেছে ভারত ও চীনের সেনাবাহিনী। এর জেরে পানগোং তাসো এবং গালওয়ান উপত্যকায় অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করেছে ভারত ও চীন। অস্থায়ী অবকাঠামোর পরিমাণও বাড়িয়েছে দুই দেশ।

আজ মঙ্গলবার ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এমন খবর প্রকাশ করেছে। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক শীর্ষ সেনা কর্মকর্তা এনডিটিভিকে বলেন, ভারতীয় সেনার শক্তি এই অঞ্চলে যথেষ্ট বেশি রয়েছে। ভারতীয় সীমান্তের বহু উল্লেখযোগ্য স্থান অতিক্রম করার অভিযোগ রয়েছে চীনা সেনাদের বিরুদ্ধে, যা উদ্বেগ বাড়িয়েছে ভারতীয় সেনাদের।

গত ৫ মে পানগোং তাসো এলাকায় দুই দেশের সেনারা রড, লাঠি ও পাথর নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে উভয়পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়। ৯ মে উত্তর সিকিমেও একই ধরনের পরিস্থিতির উদ্ভব হয়। পরে ভারতীয় সেনাপ্রধান এমএম নারাভানে দাবি করেন, এগুলো খুবই সাধারণ ঘটনা। মাঠ পর্যায়ের কমান্ডার বদল হলে এসব ঘটনা ঘটতে পারে।

সোমবার ভারতের ঊর্ধ্বতন সেনাসূত্রের বরাত দিয়ে সম্প্রচারমাধ্যম এনডিটিভি পানগোং তাসো এবং গালওয়ান উপত্যকায় সেনা উপস্থিতি বাড়ানোর খবর জানিয়েছে। এক সেনা কর্মকর্তা এনডিটিভিকে বলেছেন, ‘এসব এলাকায় ভারতের সামরিক শক্তি প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে অনেক বেশি।’

নিয়ন্ত্রণ রেখার বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় চীনের সেনা উপস্থিতি নিয়ে শঙ্কার কারণেই ভারতীয় সেনা বাড়ানো হয়েছে বলে দাবি সে দেশের সেনা সূত্রের। গালওয়ান উপত্যকার দারবুক-শায়ক-দৌলত বেগ ওলতি সড়কের ভারতীয় পোস্ট কেএম১২০ এলাকাতেও চীনের সেনা উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে।

এর আগে, ২০১৭ সালে দোকলাম সীমান্তে ৭৩ দিন ধরে মুখোমুখি অবস্থানে ছিল ভারত ও চীনের সেনাবাহিনী।


আরও পড়ুন