দেশের খবর - May 30, 2020

সিলেটে মেছোবাঘ-শেয়াল হত্যার ঘটনায় মামলা

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের বালিপাড়া গ্রামে ২টি মেছো বাঘসহ অনেকগুলো শিয়াল হত্যার ঘটনায় দু’জনের নামসহ সাত-আটজনকে অভিযুক্ত করে জৈন্তাপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। সিলেট বনবিভাগের জৈন্তাপুর সারী রেঞ্জের কর্মকর্তা মো. সাদ উদ্দিন আহমেদ এই মামলা দায়ের করেন।

মামলার আর্জিতে বাদী উল্লেখ করেন, কিছুদিন আগে অতিবৃষ্টির ফলে ভারতীয় পাহাড়ি ঢলের কারণে জৈন্তাপুর সীমান্তবর্তী এলাকাসহ আশপাশ এলাকা বন্যা-কবলিত হলে বন্যপ্রাণীরা সীমান্তবর্তী পাহাড় ও জঙ্গল ছেড়ে লোকালয়ে আশ্রয় নেয়। কিন্তু কিছু উৎসুক জনতা সরকারি নির্দেশনা ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন অমান্য করে বন্যপ্রাণী নিধনের অপচেষ্টায় লিপ্ত থাকে।

গত ২৯ মে সকাল ১০ টার দিকে জৈন্তাপুর মডেল থানাধীন ফতেহপুর ইউনিয়ন পরিষদের অন্তর্গত পশ্চিম বালিপাড়া এলাকার আলাউদ্দিনের বাড়ীর সামনে ত্রিমুখী রাস্তার উপর আব্দুল হালিম, মো. শাহরিয়ার আহমদসহ অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জন সরকারি নির্দেশনা ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন অমান্য করে বন্যা কবলিত হয়ে লোকালয়ে আশ্রয় নেওয়া দু’টি মেছো বাঘ, ছয়টি শেয়াল, একটি বেজিকে আটক করে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে নির্মমভাবে হত্যা করে স্থানীয় কাপনা নদীতে ভাসিয়ে দেয়। হত্যা করা বন্যপ্রাণীর মূল্য আনুমানিক পাঁচ লক্ষ টাকা।

আব্দুল হালিম ও মো. শাহরিয়ার আহমদসহ অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জন বিবাদী লোকালয়ে আশ্রয় নেয়া উল্লিখিত বন্যপ্রাণীদেরকে শিকার ও অনুমতি ছাড়া নির্মমভাবে হত্যা করে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ এর ৬ ও ১০ ধারার বিধানাবলী লঙ্ঘন করে ৩৯ ধারার শাস্তিযোগ্য অপরাধ করে। এজাহার-নামায় আসামী আব্দুল হালিম ও মো. শাহরিয়ার আহমদসহ অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জন বিবাদীর বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ এর ৩৯ ধারা মোতাবেক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য বাদী মামলার আর্জিতে উল্লেখ করেন।

এ ব্যাপারে জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শ্যামল বণিক মামলাটি গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সময় টিভি


আরও পড়ুন