মাঠে নামছে রিয়াল-বার্সা

শুরুটা করে দিয়েছিল জার্মানির বুন্দেস লিগা। মে মাসের ১৬ তারিখ থেকে শুরু হয় মাঠের লড়াই। এরপর একে একে ঘোষণা আসে বিভিন্ন লিগ শুরুর। গত মাসে লা লিগা পুনরায় শুরু করার প্রস্তুতি পুরোদমে শুরু হয়। সেই অনুযায়ী ১১ তারিখ থেকে শুরু হবে লা লিগা, আর রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনা মাঠে নামবে ১৪ জুন থেকে।

১৪ জুন রিয়ালের প্রতিপক্ষ এইবার আর পরের ম্যাচে মাঠে নামবে ১৯ জুন ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে। বার্নাব্যুতেই এইবারের মুখোমুখি হবে লস ব্লাংকোসরা। অন্যদিকে বার্সাও মাঠে নামবে একই দিন মায়োসের বিপক্ষে, তবে প্রতিপক্ষের মাঠে। ১৭ তারিখে আবার লেগানসের বিপক্ষে ন্যু ক্যাম্পেই নামবেন মেসিরা।

গত মার্চে স্থগিত হওয়ার আগে লিগে ২৭টি করে ম্যাচ শেষ হয়েছে প্রতিটি দলের। তাতে ৫৮ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে বার্সেলোনা, ২ পয়েন্ট কম নিয়ে তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছে রিয়াল মাদ্রিদ। তবে বার্সা-রিয়ালের বাইরে চ্যাম্পিয়নস লিগের বাকি দুটি জায়গার জন্য হাড্ডাহাড্ডি লড়াই-ই চলছে।

পয়েন্ট তালিকার তিনে সেভিয়া, তাদের পয়েন্ট ৪৭। চারে থাকা রিয়াল সোসিয়েদাদ আর পাঁচে থাকা এই মৌসুমের চমক গেটা ফের পয়েন্ট সমান ৪৬। অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ আছে ছয়ে, ডিয়েগো সিমিওনের দলের পয়েন্ট ৪৫।

তবে সবকিছু ছাপিয়ে লা লিগা সভাপতি জেভিয়ার তেবাসের কাছে এখন ক্লাবগুলোর আর্থিক ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সহযোগিতা করাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মৌসুম যদি বাতিল হতো তবে লা লিগাকে ১ বিলিয়ন ইউরো ক্ষতি গুণতে হতো।

স্প্যানিশ এক ধারাভাষ্যকার আডোলফো বারবারো বলেছেন, ‘মানুষের মধ্যে এখন ফুটবলের ওষুধ প্রয়োজন হয়েছে। এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে সমর্থকরা মাঠে ফিরতে পারলে স্বস্তি ফিরে পেত। কিন্তু আমাদের বেশীরভাগের কাছে এখন ফুটবল মাঠে ফেরাটাই জরুরি, তা যে কোনো মূল্যেই হোক না কেন।’

বিভিন্ন ক্লাবের সমর্থক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হোসে ম্যানুয়েল মাতেও বলেছেন, ‘আমরা সবাই জানি যে সমর্থকবিহীন ফুটবল কারোরই কাম্য নয়। কিন্তু প্রতিকূল পরিস্থিতিতে আমাদের সামনে এর বিকল্প নেই। আমাদের এটা মেনে নিতেই হবে। আমার মনে হয় না আর অপেক্ষা করা ঠিক হবে। অনেক পরিবারই শুধু ফুটবলের ওপর নির্ভর করে বেঁচে আছে। সেটা শুধু খেলোয়াড় নয়।’


আরও পড়ুন