‘ধর্ষিতা নরসুন্দার আর্তনাদ’

ছবিটি নরসুন্দা পুনর্বাসন প্রকল্পের ওয়াচ টাউয়ারের সম্মুখের। প্রতিটি জেলা বা অঞ্চলে উঁচু শ্রেণীর রাজনৈতিক নেতা ও সুশীল সমাজ হয় আর্শীবাদ আর কিশোরগঞ্জের প্রেক্ষাপটে অবস্থানরত রাজনৈতিক নেতা ও সুশীল সমাজ হচ্ছে “কিশোরগঞ্জের অভিশাপ”। হ্যাঁ, দ্বিতীয় শ্রেণীতে অবস্থানরত প্রতিটি রাজনৈতিক ব্যক্তি, সুশীল সমাজ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এই স্বপ্নের প্রকল্প ধর্ষণের জন্য দায়ী। লুটপাটের সময় যারা নীরবতা পালন করেছেন তারা মৌনসম্মতির জন্য পরোক্ষভাবে ধর্ষণে দায়ী।

প্রতিকূলতার মাঝেও সীমাবদ্ধতা উপেক্ষা করে, যে রাজনৈতিক, সুশীল, সাংবাদিক ব্যক্তিরা প্রতিবাদ করেছেন তাদের স্যালুট। লুটপাট শেষে নীরবতা ভেঙ্গে প্রতিবাদী হয়ে কি লাভ? ধর্ষণ হয়েছে প্রকাশ্যে চোখের সামনে। আর তখন ধর্ষিতা নরসুন্দা প্রকল্পের চিৎকার আপনাদের নীরবতা ভাংতে পারেনি। ধর্ষণ শেষে যখন ধর্ষিতা নরসুন্দা প্রকল্পের জন্য মায়াকান্না কিশোরগঞ্জে ইতিহাসের সেরা হাস্যকর নাটক ব্যতীত কিছুই নয়।

সর্বোচ্চ শ্রেণীতে থাকা নীতিনির্ধারক এমপি মন্ত্রীরা অবশ্যই দায়ী নয়। কারন তদারকির দায়িত্ব স্থানীয় নেতৃত্ব ও সুশীল সমাজের। অনুভূতির জননেতা সৈয়দ আশারাফ ভাইয়ের উপহার ছিল কিশোরগঞ্জ বাসীর জন্য এই স্বপ্নের প্রকল্প। যা ধর্ষণে ক্ষত-বিক্ষত করেছে অভিশপ্তরা।

আসুন প্রতিযোগিতা শুরু করি, কে বা কোন বলয় নিতে পারি এই ধর্ষণের প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ ক্রেডিট। প্লিজ… কেউ বা কোন বলয় বলবেন না যে, আপনারা দায়ী না। সকলেই দায়ী এই কান্ডে, কেউ নীরবতায় ও কেউ উপহার পেয়ে।

লেখক : সাজ্জাদ হোসেন হৃদয়
সাধারন সম্পাদক
সেচ্ছাসেবক লীগ, কিশোরগঞ্জ সদর


আরও পড়ুন