দেশের খবর - June 24, 2020

ডোমারে ঝটিকা অভিযানে আন্তঃজেলা জাল নোট প্রতারক চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার

নীলফামারীর ডোমার থানা পুলিশের ঝটিকা অভিযানে ৩ লক্ষ ৮৭হাজার ৬শত জাল টাকাসহ আন্তঃজেলা জাল নোট প্রতারক চক্রের পাঁচ জন সদ্যস্যকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। বুধবার দুপুরে তাদের আদালতে নেয়া হলে, তারা সকলে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। বিকালে তাদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত আন্তঃজেলা জাল নোট প্রতারক চক্রেরা হলেন, টাঙ্গাইলের কাতলীতরবগঞ্জ এলাকার আসামী সাদ্দাম (২৫), ময়মনসিংহ জেলার গলফা গ্রামের মো: সামছুল (২৯), একই জেলার স্বল্প-পশ্চিমপাড়া এলাকার সফিকুল ইসলাম (২৪), ঢাকার দক্ষিন যাত্রাবাড়ি এলাকার মাসুম মিয়া (২৮), মাদারীপুর জেলার ছয়না গ্রামের সাইদুল খাঁ (২৬)।

মামলা সুত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (২২ জুন) দুপুরে ডোমার বাজারে একটি স্যানেটারী দোকানে সাদ্দাম হোসেন একটি পানির ট্যাপ কিনে ১ হাজার টাকার একটি নোট দোকানদারকে দেয়। এসময় দোকানদার ওই টাকার নোটটি জাল সন্দেহ করে ফেরত দেয়। তখন সাদ্দাম আর দোকানদারের মধ্যে তর্ক বিতর্ক হয়। এতে আশপাশের লোকজন তাকে আটক করে ডোমার থানায় খবর দেয়। পুলিশ দ্রুত
ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাদ্দামকে থানায় নিয়ে আসে।

এরপর নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার মো: মোখলেছুর রহমান বিপিএম,পিপিএম’র পরামর্শে সহকারী পুলিশ সুপার জয়বৃত পাল তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করে। তার স্বীকারোক্তিতে ওইদিন রাতেই সহকারী পুলিশ সুপার জয়ব্রত পাল ও ওসি মোস্তাফিজার রহমানের নেতৃত্বে ডোমার থানার পুলিশ দিনাজপুরে অভিযান চালায়। অভিযানে শহরের মালদহ পট্টির আবাসিক মৃগয়া হোটেল হতে আরো চার জনকে আটক করে ডোমার থানায় নিয়ে আসে। এসময় তাদের কাছে ৩ লক্ষ ৮৫ হাজার ছয় শত টাকার জাল নোট, ২৩ হাজার ছয় শত ৪০ আসল টাকা, সাত টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

ডোমার থানার অফিসার ইনচার্জ মো: মোস্তাফিজার রহমান জানান, গ্রেফতারকৃতরা আন্তঃজেলা আন্তঃজেলা জাল নোট প্রতারক চক্রের সদস্য। তারা ঢাকা হতে ৩০ হাজার টাকায় এক লক্ষ টাকা সংগ্রহ করে। বিভিন্ন হাট-বাজারের ভিরের মধ্যে তারা জাল টাকা ভাঙিয়ে আসল টাকা সংগ্রহ করে। তারা আসন্ন কুরবানী ঈদে এই টাকা সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়ার কথা স্বিকার করে।

তিনি আরো বলেন, এ বিষয়ে তাদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।


আরও পড়ুন