অপরাধ - July 9, 2020

ছাতকের চাঞ্চল্যকর রেলওয়ের নিরাপত্তা প্রহরী হত্যার রহস্য উদঘাটন ও আসামী গ্রেফতার

সুনামগঞ্জ ছাতকের চাঞ্চল্যকর রেলওয়ের নিরাপত্তা প্রহরী ফখরুল আলম হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন ও আসামীকে গ্রেফতার করেছে ছাতক থানা পুলিশ।

ছাতক থানার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২৯ জুন রাত ১০টায় ছাতক রেলওয়ের নিরাপত্তা প্রহরী ফখরুল আলম প্রতিদিনের ন্যায় রাত ১০ টার সময় ছাতক রেলওয়ের বিআর গোডাউনের নৈশ প্রহরী হিসাবে গোডাউনের মুল গেইটে তালাবদ্ধ করে গোডাউনের ভিতরে ডিউটিতে নিয়োজিত ছিল।

পরদিন সকাল ৬টায় পর্যন্ত ডিউটি শেষে নিজ বাসায় ফেরার কথাছিল তার। কিন্ত কিছু অজ্ঞাত নামা দুষ্কৃতিকারী রাতে গোডাউনের তালা ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করে নৈশ প্রহরী ফখরুল আলমকে নির্মম ভাবে হত্যা করে গোডাউন থেকে রেলওয়ের লৌহ জাতীয় বিভিন্ন মালামাল নিয়ে যায়।

পরদিন সকাল বেলা ডিউটি শেষে ফখরুল আলম বাসায় ফেরত না আসায় তার সপ্তম শ্রেনীতে পড়ুয়া ছোট ছেলে বাবার খোঁজে গোডাউনে এসে বাবার রক্তাক্ত লাশ দেখতে পায়। যথারীতি সংবাদ পেয়ে রেলওয়ের কর্মকর্তাগন সহ সুনামগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার, ছাতক সার্কেল এএসপি, ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ সহ ছাতক থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

সুনামগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপারের দিক নির্দেশনায় এই চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার দায়িত্ব পায় ছাতক থানার এসআই হাবিবুর রহমান পিপিএম। তিনি উক্ত হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন সহ ঘটনায় জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করার লক্ষে অভিযান শুরু করেন।
ছাতক সার্কেল এএসপি বিল্লাল হোসেন এবং মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই হাবিবুর রহমান পিপিএম এর নেতৃত্বে ছাতক থানার অফিসার ফোর্সের সহায়তায় চাঞ্চল্যকর হত্যার ঘটনায় জড়িত ডাকাতি ছিনতাই চুরি সহ ৯টি মামলার কুখ্যাত আসামী নুর আলী (৪০) পিতা- মৃত রহমত আলী, সাং- জয় নগর, থানা- ছাতক, জেলা-সুনামগঞ্জকে ৭ জুলাই গভীর রাত্রে জয়নগর এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

আসামী নুর আলীর স্বীকারোক্তি ও দেওয়া তথ্য মতে সিলেট চাঁদনীঘাট এলাকা হইতে রেলওয়ের মালামাল ক্রয় বিক্রয় সহ হেফাজতে রাখার দায়ে মিল্লাদ হোসেন ও মোঃ পরান মিয়াকে গ্রেফতার করেন এবং তাদের হেফাজত হইতে রেলওয়ের চোরাই মালামাল উদ্ধার করেন। গ্রেফতার কৃত তিন জন এ ঘটনায় জড়িত মর্মে বিজ্ঞ আদালতে সেচ্ছায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করে।


আরও পড়ুন