ভৈরব - July 19, 2020

ভৈরবে ৯৭০ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ৯৭০ বোতল ফেন্সিডিল ও একটি মাইক্রোবাসসহ শুকুর মিয়া (২৫) ও আলী আহম্মেদ (২৮) নামে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব। শনিবার (১৮ জুলাই) বিকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ভৈরবের নাটাল মোড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করে।

আটক হওয়া দুই মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে শুকুর মিয়া হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার বানেশ্বর বিশ্বাসের পাড়ার সিতু মিয়ার ছেলে এবং আলী আহম্মেদ সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলার সুপরাকান্দি গ্রামের মৃত হাসান আলীর ছেলে।

র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩, ভৈরব ক্যাম্পের কোম্পানী অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, একটি মাদক ব্যবসায়ী চক্র নিয়মিত সিলেট জেলার সীমান্ত এলাকা হতে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে মাইক্রোবাসে করে নারায়ণগঞ্জ’সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় পাইকারি/খুচরা বিক্রয় করে থাকে। এই তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য মাদক ব্যবসায়ী চক্রটির উপর র‌্যাবের নিরবচ্ছিন্ন গোয়েন্দা নজরদারী চালানো হয় এবং তথ্যের সত্যতা পাওয়া যায়।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব সদস্যরা জানতে পারে যে, কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী সিলেট হতে সিলভার রংয়ের চট্ট মেট্রো-চ-৫১-১১১৮ মাইক্রোবাসে করে মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিলের একটি বড় চালান নারায়ণগঞ্জ এর উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছে।

এরই প্রেক্ষিতে ভৈরব র‌্যাব ক্যাম্পের কোম্পানী অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের, স্কোয়াড কমান্ডার উপ-পরিচালক চন্দন দেবনাথ এবং সহকারী পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেনদের নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল শনিবার (১৮ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৩টা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ উপজেলার সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতুর টোলপ্লাজা এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপর তাৎক্ষণিক তল্লাসি চৌকি স্থাপন করে গাড়ী তল্লাসি করতে থাকেন।

তল্লাসিকালে বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে পূর্বে সংবাদ প্রাপ্ত মাইক্রোবাসটি তল্লাসি চৌকির নিকট আসলে থামানোর সংকেত দিলে সংকেত অমান্য করে চলে যায়।

তখন র‌্যাব সদস্যরা মাইক্রোবাসটি পিছু ধাওয়া করে বিকাল ৪টা ৪০ মিনিটের সময় কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার নাটালের মোড় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপর মাইক্রোবাসটি’সহ শুকুর মিয়া ও আলী আহম্মেদকে আটক করেন।

আটককৃত মাইক্রোবাসটি তল্লাসি করে ৯৭০ বোতল ফেন্সিডিল, একটি মাইক্রোবাস ও মাদক বিক্রির তিন হাজার টাকা জব্দ করা হয়। জব্দকৃত আলামতের আনুমানিক মূল্য ২৯ লাখ ৪৩ হাজার টাকা।


আরও পড়ুন