করোনায় স্থগিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

করোনাভাইরাস বিপর্যয়ের কারণে স্থগিত করা হয়েছে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠেয় ২০২০ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি আজ (২০ জুলাই) এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

আইসিসি আজকের সভা শেষে ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে। যে পরিকল্পনায় চলতি বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপটি ২০২২ সালে স্থানান্তর করা হয়েছে। ফলে ২০২১ সাল থেকে টানা তিন বছরে তিনটি বিশ্বকাপ উপভোগ করতে পারবে ক্রিকেট ভক্তরা। নতুন সূচি অনুযায়ী ২০২১ থেকে পরবর্তী তিন বিশ্বকাপই অক্টোবর-নভেম্বরে আয়োজন করা হবে। তিন বিশ্বকাপের ফাইনালের তারিখও ঘোষণা করেছে আইসিসি।

এখন পর্যন্ত পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপটি ভারতে আয়োজন হওয়ার কথা। তবে করোনাভাইরাস বিপর্যয়ের দিকে চোখ রাখবে আইসিসি। পরবর্তী সময়ে সে অনুসারে পরিকল্পনা সাজাবে তারা। তবে ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৪ নভেম্বর। এরপরের বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালের জন্য আইসিসি বেছে নিয়েছে ১৩ নভেম্বরকে। এদিকে ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠেয় ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপও অক্টোবর-নভেম্বরে আয়োজিত হবে। আর এর ফাইনাল হবে ২৬ নভেম্বর। এদিকে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে নিউজিল্যান্ডে হবে নারী বিশ্বকাপের আসর।

আইসিসির প্রধান নির্বাহী মানু শাহনে এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমরা খুব আকস্মিকভাবে এমন জটিল এবং কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছি। আমাদের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে, ক্রিকেটের সঙ্গে সংযুক্ত প্রতিটা সদস্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা আমাদের সামনে খোলা থাকা প্রত্যেকটি উপায় বিবেচনায় নিয়েছি। তারপরই আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২০ স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। বিশ্বজুড়ে আমাদের সকল দর্শককে দারুণ এবং সফল দুটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ উপহার দেওয়ার জন্যই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা।’

মানু শাহনে আশা করছেন, করোনার কারণে এখন পর্যন্ত যতগুলো দ্বিপাক্ষিক সিরিজ স্থগিত হয়েছে, সেগুলো বিশ্বকাপের এই ফাঁকা সময়ে খেলে পুষিয়ে নিতে পারবে সদস্য বোর্ডগুলো। তিনি বলেন, ‘আমাদের সদস্য দেশগুলো এই সময়ের মধ্যে যতগুলো দ্বিপাক্ষিক সিরিজ মিস করেছে সেগুলো খেলে পুষিয়ে নিতে পারবে।’

আর আইসিসি এখন নতুন করে সামনের খেলার সূচিগুলোকে সাজিয়ে নিবে জানিয়ে আইসিসির প্রধান নির্বাহী আরও যোগ করেন, ‘করোনার কারণে আমরা অনেক ম্যাচ খেলা থেকে বিরত থাকতে হয়েছে। আমাদের সামনের খেলাগুলোর সূচি নতুন আঙ্গিকে ঠিক করে নিতে এই সময় সহায়তা করবে।’

করোনা সঙ্কট কাটিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর ক্রিকেট ফেরানোর সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করায় সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে মানু শাহনে বলেন, ‘আমরা এই সময়ের মধ্যে আমাদের অংশীদার থেকে শুরু করে সদস্য বোর্ড, ব্রোডকাস্টার, মেডিক্যাল টিম সবার পরামর্শ নিয়েছি।। আমি সবাইকে ধন্যবাদ দিতে চাই ক্রিকেটকে সুস্থ পরিবেশে ফেরানোর জন্য সবাই যে অঙ্গীকার দেখিয়েছেন তার জন্য।’  


আরও পড়ুন