মানবপাচার রোধে ফোর-পি বাস্তবায়নের সুপারিশ বাংলাদেশের

মানবপাচার রোধে বাংলাদেশের জিরো টলারেন্স নীতির পুনরুল্লেখসহ এ বিষয়ক ফোর-পি বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা।

বিশ্ব মানবপাচার বিরোধী দিবস (৩০ জুলাই) উদযাপন উপলক্ষে উচ্চ পর্যায়ের ভার্চুয়াল প্যানেল আলোচনায় বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি একথা বলেন।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) জাতিসংঘ স্থায়ী মিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

রাবাব ফাতিমা বলেন, মানবপাচারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ‘জিরো টলারেন্স নীতি’ বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।মানবপাচার রোধে বহুমাত্রিকতার প্রেক্ষাপটে ‘প্রিভেনশন’, ‘প্রমোশন, ‘প্রটেকশন, এবং ‘পার্টনারশিপ’ -এই ফোর-পি ধারণ করে আইন-শৃঙ্খলা সংস্থা, আইনি সম্প্রদায়, সুশীল সমাজ, এনজিও এবং বিশেষ করে স্থানীয় কমিউনিটিসহ সব অংশীজনদের সঙ্গে নিয়ে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ যেভাবে কাজ করে যাচ্ছে, বক্তব‌্যে তা তুলে ধরেন তিনি।

মানব পাচারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ব্যাপকভিত্তিক যেসব আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক পদক্ষেপ নিয়েছে তাও উল্লেখ করেন বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি। এই ঘৃণ্য অপরাধ প্রতিরোধে যারা সামনের সারিতে থেকে কাজ করছেন এবং যারা সর্বপ্রথম সাড়া দিচ্ছেন, বিশেষ করে এই বৈশ্বিক মহামারির মধ্যে, তাদের তাৎপর্যপূর্ণ এ অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন রাষ্ট্রদূত ফাতিমা।

মানবপাচার বিরোধী গ্রুপ অব ফ্রেন্ডস এবং জাতিসংঘের ড্রাগস ও ক্রাইম বিষয়ক কার্যালয়ের (ইউএনওডিসি) যৌথ উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ এই গ্রুপের সদস্য। ইভেন্টটির এবারের প্রতিপাদ্য ছিল ‘সাড়াদানকারীদের স্বীকৃতি- প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত এবং মানবপাচার রোধে তাদের ভূমিকা তুলে ধরা’।

মানবপাচারের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ বাস্তবায়নে এ সংক্রান্ত প্রটোকল ও আন্তর্জাতিক কনভেনশনের সার্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা এবং প্রয়োগ নিশ্চিতে আরও জোর প্রচেষ্টার আহ্বান জানান বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি।

জাতিসংঘের উচ্চ পর্যায়ের ইভেন্টটিতে সদস্য দেশগুলোর স্থায়ী প্রতিনিধি, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রতিনিধি এবং এনজিও ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে মানবপাচারের শিকার একজন নারী তার ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন।


আরও পড়ুন