চুয়াডাঙ্গায় বাসচাপায় নিহত ৬

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার সরোজগঞ্জ বাজারে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী নৈশকোচ রয়েল এক্সপ্রেসের ধাক্কায় ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঘুমের ঘোরে বাস চালানোর কারণে এ ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ভান্ডাদুয়া গ্রামের নিতাই হালদারের ছেলে ষষ্টি হালদার (৪০), খাড়াগুদা গ্রামের মাহতাব উদ্দিনের ছেলে মিলন হোসেন (৩০), তিতুদহ গ্রামের পিয়াস আলীর ছেলে রাজু আহমেদ (৩৫), একই গ্রামের লুতা মণ্ডলের ছেলে সোহাগ হোসেন (২৮), হায়দার আলীর ছেলে কালু মন্ডল (৪০) এবং রহিম মন্ডলের ছেলে শরিফ হোসেন (৪০)। নিহতরা আলমসাধু, পাখিভ্যান এবং মোটরসাইকেলের আরোহী ছিলেন।

স্থানীয়রা জানান, চট্টগ্রাম থেকে মাত্র একজন চালকই নৈশকোচটি চালিয়ে নিয়ে আসছিলেন। দীর্ঘ ১২-১৪ ঘণ্টা বাস চালানোর কারণে তিনি ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েন। আর এ জন্যই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।

তথ্য মতে, যাত্রীবাহী নৈশকোচ রয়েল এক্সপ্রেস চট্টগ্রাম থেকে শুক্রবার সন্ধ্যায় চুয়াডাঙ্গার দর্শনার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। শনিবার সকাল ৬টা ৩০ মিনিটের দিকে চুয়াডাঙ্গার সরোজগঞ্জ বাজারে পৌঁছালে প্রথমে একটি আলমসাধুকে ধাক্কা দেয়। এরপর পর্যায়ক্রমে পাখিভ্যান, মোটরসাইকেল ও আরও একটি আলমসাধুসহ ৭ জন পথচারীকে ধাক্কা দেয়। সরোজগঞ্জ বাজার থেকে মিতালী সিনেমা হল পর্যন্ত আধা কিলোমিটার রাস্তার মধ্যে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

এতে ঘটনাস্থলেই ৫ জনের মৃত্যু হয়। পরে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেয়ার পর একজনের মৃত্যু হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ মো. ফখরুল বলেন, আলমসাধু, পাখিভ্যান, মোটরসাইকেল সঠিক পথ দিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু নৈশকোচটি ভুল পথে গিয়ে তাদেরকে ধাক্কা দিয়েছে। ইতোমধ্যে নৈশকোচটি আটক করা হয়েছে। নৈশকোচের চালক ও সহকারীকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।


আরও পড়ুন