দেশের খবর - August 11, 2020

নবাবগঞ্জে প্রেমিককে আটকে রেখে প্রেমিকাকে ধর্ষণ

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে প্রেমিককে আটকে রেখে প্রেমিকাকে (১৯) ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় তরুণীর প্রেমিক বাদী হয়ে ৫ বখাটের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। ৪ জনকে গ্রেফতারও করেছে পুলিশ।

গ্রেফতাররা হলেন- নবাবগঞ্জ উপজেলার গোলাপগঞ্জ ইউনিয়নের শগুনখোলা গ্রামের শরিয়ত হোসেনের ছেলে শাহিনুর ইসলাম (৩০), মৃত ইসমাইল হোসেনের ছেলে আব্দুল আজিজ ওরফে আজিম (৩১), ফতেহপুর মাড়াস গ্রামের আব্দুল মতিনের ছেলে সাজেদুর ইসলাম (২০) ও আবু তাহেরের ছেলে শাহারুল ইসলাম (২১)। পলাতক রয়েছে শগুনখোলা গ্রামের খলিলের ছেলে রেজওয়ান (২০)। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় তাদের দিনাজপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে।

নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অশোক কুমার চৌহান জানান, সোমবার বিকেলে ওই তরুণী রিয়াজুলের সঙ্গে নবাবগঞ্জের আশুড়ার বিলে দেখা করতে আসে। এ সময় শাহিনুরের নেতৃত্বে ৫ বখাটে রিয়াজুল এবং তার প্রেমিকাকে আটক করে মারধর করে ও সঙ্গে থাকা টাকা কেড়ে নেয়। তাদের কাছে মাত্র ৫২০ টাকা পায় বখাটেরা। এ সময় বখাটেরা রিয়াজুলকে বিকাশের মাধ্যমে আরও টাকা দিতে বলে।

রিয়াজুল বিকাশ করার কথা বলে নবাবগঞ্জের এক ছাত্রলীগ নেতাকে ঘটনাটি খুলে বলে। ছাত্রলীগ নেতাকে ফোন করায় শাহিনুর চরম ক্ষিপ্ত হয়। এ সময় আজিম, সাজেদুর, শাহারুল এবং রেজওয়ান বিলে পাশের শালবনে তুলে নিয়ে রিয়াজুলকে আটকে রাখে। আর শাহিনুর ওই তরুণীকে বনের মধ্যে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে শাহিনুর ওই তরুণীকে নবাবগঞ্জ বিরামপুর সড়কে রেখে আসে।

এ সময় সুযোগ বুঝে রিয়াজুল দৌড়ে এসে আশুড়া বিল পরিচালনা কমিটিকে ঘটনাটি খুলে বলে। আশুড়া বিল পরিচালনা কমিটির লোকজন পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করে।

নবাবগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শামছুল ইসলাম জানান, পুলিশ খবর পেয়ে দ্রুত অভিযান চালিয়ে শাহিনুর, আজিম, সাজেদুর এবং শাহারুলকে গ্রেফতার করে। রেজওয়ান পালিয়ে যায়।

ওসি অশোক কুমার চৌহান জানান, গ্রেফতার বখাটেরা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে। পলাতক রেজওয়ানকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে। মঙ্গলবার ওই তরুণীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য দিনাজপুরে এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে পাঠানো হবে।


আরও পড়ুন