শ্বাসরুদ্ধকর জয়ে সেমি-ফাইনালে পিএসজি

পরাজয় হাতছানি দিচ্ছিল। কিন্তু শেষ সময়ে জোড়া গোলে সেই সম্ভাবনা উড়িয়ে দিল পিএসজি। আতালান্তার বিপক্ষে শ্বাসরুদ্ধকর এক জয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমি-ফাইনাল নিশ্চিত করল লিগ ওয়ান চ্যাম্পিয়নরা।

পর্তুগালের লিসবনের স্তাদিও দা লুসে বুধবার রাতে প্রতিযোগিতাটির কোয়ার্টার-ফাইনালে ইতালিয়ান ক্লাবটিকে ২-১ গোলে হারায় পিএসজি। শেষ মুহূর্তে বিজয়ীদের হয়ে দুটি গোল করেন মার্কিনিয়োস ও এরিক মাক্সিম চুপো-মটিং।

এর আগে ম্যাচের প্রথমার্ধে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়ে পিএসজি। ২৬তম মিনিটে আতালান্তার হয়ে গোলটি করেন মারিও পাসালিচ। অসাধারণ দক্ষতায় গোলটি করেন ক্রোয়েশিয়ান এই মিডফিল্ডার। কিছুই করার ছিল না পিএসজির গোলরক্ষক কেইলর নাভাসের।

অবশ্য ম্যাচের পঞ্চম মিনিটের মধ্যেই এগিয়ে যেতে পারত পিএসজি। কিন্তু শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি দলটির তারকা ফরোয়ার্ড নেইমার। গোল হজম করার পর আরও বেশ কয়েকটি সুযোগ পেয়েছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে দামি এই ফুটবলার। কিন্তু কিন্তু একবারও বল লক্ষ্যে রাখতে পারেননি তিনি।

১-০ গোলে পিছিয়ে থেকে প্রথমার্ধের খেলা শেষ করা দ্বিতীয়ার্ধে গোলের তেমন সুযোগই তৈরি করতে পারছিল না। আক্রমণে গতি বাড়াতে চোট থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা কিলিয়ান এমবাপেকে বদলি হিসেবে মাঠে নামান কোচ টমাস টুখেল।

ম্যাচের ৭৩ তম মিনিটে গোলের দারুণ একটি সুযোগ পেয়েছিলেন এমবাপে। কিন্তু ফরাসি এই ফরোয়ার্ডের প্রচেষ্টা পায়ে হালকা টোকায় রুখে দেন মার্কো স্পোরতিয়েলো। তবে ইতালিয়ান এই গোলরক্ষকের বাধায় আরও দুটি প্রচেষ্টা কাজে লাগাতে পারেনি এমবাপে।

পরাজয়ই যেন হাতছানি দিচ্ছিল পিএসজির সামনে। ম্যাচ গড়াল শেষ দিকে। কিন্তু তখনো অনেক নাটকীয়তার বাকি। ঠিক ৯০তম মিনিটে ঘুরে যায় ম্যাচের মোড়। নেইমারের পাসে বল পেয়ে যান স্বদেশি ডিফেন্ডার মার্কিনিয়োস। খুব কাছ থেকে ডান পায়ের টোকায় জালে বল জড়ান তিনি।

যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে পিএসজিকে জয়সূচক গোল পায় পিএসজি। এমবাপের পাসে বল পেয়ে ছোট ডি-বক্সে বল পেয়ে ডান পায়ের শটে জালে বল পাঠান ক্যামেরুনের এই ফরোয়ার্ড।

রোমাঞ্চকর জয়ে বাধভাঙা উল্লাসে মাতে পিএসজি শিবির। প্রথমবারের মতো ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে দলটির প্রতিপক্ষ হবে বৃহস্পতিবার রাতে আতলেতিকো মাদ্রিদ ও লাইপজিগ মধ্যকার বিজয়ী দল।


আরও পড়ুন