কমলাকান্দার বিশরপাশায় মুক্তিযোদ্ধা ট্রেনিং সেন্টার ছিল কিনা!

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক কর্তৃক জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) কার্যালয়ে ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ অভিযোগের ভিত্তিতে মেহেদী উল আলমের তদন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বেলা দুপুর ১২ টায় তদন্ত অনুষ্ঠিত হয়। এতে অভিযুক্ত কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার মেহেদি উল আলমসহ ৪ জন অনুপস্থিত ছিলেন। আর এতে উপস্থিত ছিলেন অভিযোগকারী মুক্তিযোদ্ধা মো. হাবিবুর রহমান, নিছার আহমদ, মো. হেলাল উদ্দিন ও মো. রফিকুল ইসলাম।

এতে দেখা যায় যে, মো. মেহেদি উল আলম ও মো. নুরুল আমিন এরা নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা উপজেলার ভাটি এলাকা বিশরপাশা গ্রামের প্রশিক্ষিত মুক্তিযোদ্ধা। অভিযোগকারীদের দাবি বিশরপাশায় মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে কোন ট্রেনিং সেন্টার ছিল না। তারা ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা ও ভুয়া পঙ্গু ভাতা গ্রহণ করে আসছে এবং কৌশলে গেজেট ও মুক্তি বার্তায় নাম/নাম্বার উঠিয়ে নিয়েছে।

তদন্তে উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠের সম্পাদক ও প্রকাশক বীর মুক্তিযোদ্ধা নিছার আহমদ মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রীর নিকট প্রস্তাব রাখেন যে, এই ব্যাপারে সত্যতা যাচাইয়ের জন্য কলমাকান্দা উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট জানা যেতে পারে বিশরপাশায় কোন মুক্তিযোদ্ধা প্রশিক্ষণ সেন্টার ছিল কি-না।

প্রস্তাবটি মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী জোর সমর্থন দেন এবং বিবাদী গণের অনুপস্থিতিতে তদন্ত কাজ ২৩/৯/২০২০ ইং তারিখ পুনঃনির্ধারণ করেন।

কমলাকান্দা উপজেলার বিশরপাশায় কোন মুক্তিযোদ্ধা ট্রেনিং সেন্টার ছিল কি-না এ ব্যপারে কারো জানা থাকলে মুক্তিযোদ্ধার কণ্ঠের সম্পাদক ও প্রকাশক নিছার আহমদ এর মোবাইল (০১৭১০৪০০১৭১) নম্বরে জানাতে বিশেষ অনুরোধ করা হলো।


আরও পড়ুন